Warfaze

কৈশর

মনে পড়ে যায় আমার কৈশর
স্মৃতি হারানো সেই সুর
আজও ভুলিনি সেই দিনগুলি
মনে পড়ে যায় আবার ফিরে আসে
আবার ফিরে আসে

তুমি নেই আজ তাই কত ব্যাথা
সবই আছে শুধু তুমি ছাড়া
আমার এ জীবনে তুমি ছিলে
নেমে আসা রাতে সন্ধ্যাতারা
মনে পড়ে যায় আবার ফিরে আসে
আবার ফিরে আসে

ঘরের আলো যখন নিভে যাবে
আমিও যখন থাকবো না এ ঘরে
আবারো সেখানে দেখা হবে
জীবনের ওপারে অন্যভাবে
মনে পড়ে যায় আবারো ফিরে আসে
আবার ফিরে আসে

মনে পড়ে যায় আমার কৈশর
স্মৃতি হারানো সেই সুর
আজও ভুলিনি সেই দিনগুলি
মনে পড়ে যায় আবার ফিরে আসে
আবার ফিরে আসে

আশা

জীবন আমার বড় বদলে গেছে
তুমি কোথায়
আছো কেমন,
আশা ছিল তোমাকে পাবার
তুমি ছিলে হৃদয়ে আমার।

প্রতিদিন আমার মনে পড়ে তোমায়
অতীত স্মৃতিগুলো,
ভালোবাসা মনে আশা ছিলো
কেন এমন হলো,
তোমাকে ভেবে মন আমার উদাস হতে চায়
চলে গেলে কোথায় কোন দুর অজানায়।

স্বপন নেই চোখে আশা নেই বুকে
ভেঙ্গে গেল ঝড়ে,
আবেগ নেই মনে শুধু তোমায় পড়ে
আমার মনে,
ব্যাথারই স্রোতে মন আমার হারাতে যে চায়
চলে গেলে কোথায় কোন দুর অজানায়।

জীবন আমার বড় বদলে গেছে
তুমি কোথায়
আছো কেমন,
আশা ছিল তোমাকে পাবার
তুমি ছিলে হৃদয়ে আমার।

বিচ্ছিন্ন আবেগ

একদিন আমি হেটে চলছি পথে একা
হঠাৎ হোঁচট খেয়ে থমকে দেখি
চারিদিকে আঁধার,
আঁধার আর আঁধার
আঁধার আর অজ্ঞতা।

কোনদিন আমি গাইবো সেই গান
যে গানে থাকবেনা মলিন অহংকার,
কোনদিন আমি গাইবো সেই গান
যে গানে থাকবে শুধু জোৎস্নার স্বচ্ছতা।

আলোয় আলোয় ভরা চারিদিকে
তবুও কেন ঘরে এত আঁধার,
শুনি তবু শুনি না
বুঝি তবু বুঝি না
গানের মত গান নেই কেন তাই।

কোনদিন আমি গাইবো সেই গান
যে গানে থাকবে মহাশূন্যের উদারতা,
কোনদিন আমি গাইবো সেই গান
যে গানে থাকবে সাগরে গাঙচিলের ডাক।

বন্দী আমি নিজেরই স্তব্ধতায়
কণ্ঠে আমার নেই কোন সুর,
বন্ধ জানালার পাশে বসে আছি
ফুলের সুবাস পাই,
আলোর দরজা খুলেও কেন খুলিনা
বারবার শুধু ছিটকে পড়ি
অশ্লীল কারাগারে,
কি যেন কি পাবার
মোহে…

যে পথে চলেছ বন্ধু

যে পথে চলেছ বন্ধু
সে পথে হারাবে যে স্বত্তা
মায়াবি আলোর প্রতারনায় মোহিত
আঁধারে তুমি,
কত প্রেমের বসন্ত
কত বৃহৎ দিগন্ত
এতো সুখের তাড়নায়
যে যাও হারিয়ে।

কিভাবে ভুলেছো বন্ধু
পুরনো দিনের সেই কথা,
অজানা মনের বেড়াজালে নিরাশায়
ছিলে যে তুমি
আমি ছিলাম পাশে যে
আগলে ছিলাম তোমাকে।
কত বিপদ পেরিয়ে
এসে হাল ধরেছি।

অশ্রুপানে তাকায় সে
সে ভেবে দেখে আবার তোমায়,
কোন অনুরাগের বিষন্নতায়
হায় জেগে ওঠে প্রেমের আশা।
রাত পোহালে সকাল
তুমি সজাগ
মনে নেই সেই বাসনা।

বিপদে পড়েছ বন্ধু
হয়েছে বন্ধ সব দরজা।
করেছ অবহেলা তুমি
জীবনে প্রকৃতজনে,
নেই তো আজো তাদের কেউ
আজ তোমার পাশেতে
একা বিশাল পৃথিবীতে
তুমি যাও হারিয়ে।

অন্ধকারে হারায় সে
কি অপরাধ কাঁদায় তোমায়,
সে আধা জাগা দিবা স্বপনে
হায় ভেঙ্গে পড়ে সকল আশা।
রাত পোহালে সকাল
তুমি সজাগ
মনে নেই সেই বাসনা।

ধুপছায়া গোধূলিবেলায়

ধূপছায়া গোধূলীবেলায়
তুমি কাছে এসো
সুখ ছোঁয়া রূপসী রাতে
তুমি ভালোবেসো
তুমি ভালোবেসো শুধু আমাকেই
হৃদয়ে ধরে রেখো

মেঘ এসে যদি কোন দিনও এ মন ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়
ঝড় এসে যদি কোনদিনও হৃদয় ভেঙে দিয়ে যায়
প্রেমেরই অরণ্যে ব্যাকুল তুমি কোনদিনও ভুলে যেও না
তুমি ভালোবেসো শুধু আমাকেই
হৃদয়ে ধরে রেখো

বিষাদে যদি কোনদিনও এ মন কাঁদে বেদনায়
বিরহ যদি উঁকি দেয় মনে দিন কাটে নিরাশায়
পিয়ানোর সুর আমার এই গান কোনদিনও ভুলে যেও না
তুমি ভালোবেসো শুধু আমাকেই
হৃদয়ে ধরে রেখো

ধূপছায়া গোধূলীবেলায় তুমি কাছে এসো
সুখ ছোঁয়া রূপসী রাতে তুমি ভালোবেসো
তুমি ভালোবেসো শুধু আমাকেই
হৃদয়ে ধরে রেখো

একটি ছেলে

একটি ছেলে হাঁটছে একা
ঝর্না ধোয়া ছোট্ট পথে,
বৃষ্টি ভেজা হালকা রোদে
জানেনা জীবন কাকে বলে।

পাহাড়ী শ্যামল ছায়ায়
জীবন তার স্বপ্নে ঘেরা,
কোত্থেকে এক ঝড়ো হাওয়া
এসে নিয়ে গেল তাকে।

চারিদিকে সব নেকড়ের দল
আকড়ে ধরে শক্ত করে।
কুৎসিত সব গর্জনে
ভেঙ্গে দেয়
ভেঙ্গে দেয় স্বপ্ন।

কই তার ছোট্ট আপন
ভালোবাসার নিবিড় বাঁধন,
ভেসে গেল ছবি গুলো
জানে না জীবন সে চেনে না।

মরূময় তপ্ত বুকে
মরিচিকার মিছে আশায়,
ছুটে গিয়ে দেখতে পেল
হায় হায় হায় হায়।

চারিদিকে সব শকুনের দল
অপেক্ষায় মাথার উপর।
নৃশংস দৃষ্টি দিয়ে,
ভেঙ্গে দেয়
ভেঙ্গে দেয় স্বপ্ন।

অথচ কত সুন্দর হতে পারতো এ জীবন
শকুন যদি হতো শান্তির পায়রা,
অথচ কত সুন্দর হতে পারতো এ জীবন
নেকড়ে যদি হতো হরিণীর অঞ্জন।

তবুও ধরে নেকড়ের দল
তবুও ধরে শকুনের দল
জীবনে নামে কাল-বৈশাখ,
ভেঙ্গে দেয়
ভেঙ্গে দেয় স্বপ্ন।

প্রজন্ম-২০১২

না শুনি তোমার কানে
না তাকাই তোমার পানে
না দেখি তোমার চোখে
চোখ রাঙিয়ে তাকাও কেন তুমি
হাঁটিনা তোমার পথে
সখ্যতা নেই তোমার সাথে
না চলি তোমার মত
সমস্যা তোমার আমার তো নয়

গড়বো নতুন সমাজ, নেই ভেদাভেদ যেখানে
পিছে ফেলে সকল অনিয়ম, যে সমাকে সবাই সমান

জানো তোমার দিন হবে শেষ
তবুই তোমার এই বিদ্বেষ
না পারো দিতে মর্যাদা
নতুন চিন্তা আহবানে
হতে পারে ভিন্ন মোদের ভুবন চালচলন
হতে পারে ভিন্ন মোদের কথোপকথন
ভিন্ন মোদের চিন্তা-ভাবনা, ভিন্ন মোদের মন
তাই বলে মানবো নাতো কটাক্ষ সারাক্ষণ
আমরা নতুন প্রজন্ম গড়বো নতুন সমাজ
জেগে ওঠো নবীনেরা যুদ্ধ শুরু আজ
আমরা নতুন প্রজন্ম আনবো সংস্কার
আমরা নতুন প্রজন্ম ভাঙবো কুসংস্কার

বাঁকা হাসি তোমার চোখে, শঙ্কিত মোদের দেখে
ছিলে অটল তোমার যুক্তিতে, আজ কেন নড়েচড়ে তোমার মন।

মহারাজ

সমাজ শিখরে আজ তুমি কি একা
রিক্ত কামনায় অহমের মায়াজালে,
সকল ভালোবাসা পদলিত করে
মানবতার যত বন্ধন ছিঁড়ে ফেলে।

ক্ষমতার নিয়মে দেয়াল তুলে
জনতাকে বেদনায় ভাসালে,
ক্ষমতার পেছনে যাদের স্মৃতি
অবসরেও কি পরে মনে……

হে মহারাজ, এসো আমাদের সমতলে
পাবে জীবন, যাকে বহুদুর গেছ ফেলে
প্রানে জোয়ার আছে জনতার এ ভুবনে
হে মহারাজ………

তোমার দুপাশে মিথ্যে গুণগ্রাহী
দেবে কি বাঁধার আশা জনতার এ মিলনে,
তবে কি জনগন আজ পথের কাঁটা
যারা তোমায় ভালোবেসেছে মনে প্রানে!

ক্ষমতার নিয়মে দেয়াল তুলে
জনতাকে বেদনায় ভাসালে
ক্ষমতার পেছনে যাদের স্মৃতি
অবসরেও কি পরে মনে……

হে মহারাজ, এসো আমাদের সমতলে
পাবে জীবন, যাকে বহুদুর গেছ ফেলে
প্রানে জোয়ার আছে জনতার এ ভুবনে
হে মহারাজ………

হে মহারাজ, এসো আমাদের সমতলে
পাবে জীবন, যাকে বহুদুর গেছ ফেলে
প্রানে জোয়ার আছে জনতার এ ভুবনে
হে মহারাজ………

যত দূরেই থাকো

চুপচাপ চারিদিক মাতাল হাওয়া
পাখিদের কোলাহলে মন যে মাতারা
হঠাৎ দেখি তোমাকে অচেনা ছায়ায়
আমারই স্বপ্নে আঁকা এযে তুমি

নিঃশব্দে এলে তুমি আমারই ভুবনে
গোধূলি হয়ে রবে তুমি আমারই চিরকাল

যতদূরেই থাকো রবে আমারই
হারিয়ে যেও না কখনো তুমি
যতদূরেই থাকো রবে আমারই
হারিয়ে যেও না কখনো তুমি

কতোকাল রয়েছি তোমারই পথ চেয়ে
কতোরাত কেটেছে তোমারই আশাতে
কতোকাল রয়েছি তোমারই পথ চেয়ে
কতোরাত কেটেছে তোমারই আশাতে

যতদূরেই থাকো রবে আমারই
হারিয়ে যেও না কখনো তুমি

চুপচাপ চারিদিক মাতাল হাওয়া
পাখিদের কোলাহলে মন যে মাতারা
হঠাৎ দেখি তোমাকে অচেনা ছায়ায়
আমারই স্বপ্নে আঁকা এযে তুমি

নিঃশব্দে এলে তুমি আমারই ভুবনে
গোধূলি হয়ে রবে তুমি আমারই চিরকাল

যতদূরেই থাকো রবে আমারই
হারিয়ে যেও না কখনো তুমি

যেদিন

যেদিন খুশির কান্না ভেজাবে এই চিবুক
তোমায় নিমন্ত্রণ, আমার সাথে কাটিও কিছুক্ষন
যেদিন হাসির ছটায় ভরবে আমার বুক
বাঁধনহারা সুখ, বিলিয়ে দেব ভরিয়ে তোমার মন।

বাধার অরন্যে, স্থরিবতায় কতকাল কেটে যায়
তবুযে স্বপ্নে ছবি আঁকা

এখন মনে আমার অনন্ত করুন সুর, থেকো বহুদূর
দুঃখের অশ্রু ঝরুক আমার একা
এখন ঝড়ে কাঁপছে আমার ঘর, আপন কি পর
হাসলে সকাল আবার হবে দেখা
যেদিন স্রোতস্বীনির অকাল স্বর্গবাস
আর ব-দ্বীপের উপবাস, লজ্জায় আমি রব অন্তঃপুরে
যেদিন বর্শাঘাতে বিলীন পঙ্কিলতার গ্লানি
যদিও মন অভিমানী
ভিজবো তোমার সাথে উদ্দীপনায় পুড়ে

যেদিন বিজয় গর্বে ভাসবে আমার দেশ
মাতাল পরিবেশ
প্রথম প্রহরে জানাবো সুপ্রভাত
সেদিন জয়ের মিছিল ছুটবে ধেয়ে বেগে
থাকব সবার আগে
রাখবো আমি তোমার হাতে হাত

পূর্ণতা

সেদিন ভোরে, বুকের গভীরে
শুনেছি জমে থাকা নীল বেদনার ডাকে
এই শহরে ইটের পাহাড়ে, ছিলোনা কেউ যে দেওয়ার প্রেরনা
যন্ত্রে বাঁধা মন, ছিলো ক্লান্ত অসহায়
অর্থে কেনা সুখ, ম্রিয়মান দুঃখের ছায়ায়
আর নয় সময় উদ্দেশ্যহীন মিছিলে
তুমি সেই পূর্ণতা আমার অনুভবে
আর নয় আঁধার, তুমি স্বপ্নে ডেকে নিলে
ভরে মন অন্তহীন রঙিন এক উৎসবে
আজকে শুনি আনন্দধ্বনি,
পৃথিবী ভরেছে সুখে বেঁচে থাকার মায়ায়
শূণ্য আশার জীবন্ত ভাষায়, অদূরে দেখেছি প্রানের মোহনা।

রূপকথা

শক্তি দাও বিধাতা, অনন্তকাল ধরে জ্বলছে হৃদয়
হয়তো কেউ বোঝেনা কত সত্য প্রণয়
এসেছিলে বাঁচাতে আমায়, ভরে দিলে নতুন আশায়
রূপকথার মত
ভালবাসা কত যে সুন্দর, বুঝে তোমারই কাছ থেকে
স্বর্গেরই প্রতিরূপ
বলেছিলে খুঁজনা আমায় আমি যদি কভু হারিয়ে যাই
যেতে দিও আমায়
এলো সেদিন, তুমি হারিয়ে গেলে
মনে এলো, বলেছিলে তুমি হারিয়ে যাবে সে
শক্তি দাও বিধাতা, অনন্তকাল ধরে জ্বলছে হৃদয়
কষ্ট আর বুঝিনা, স্বপ্নটা বাঁচিয়ে রেখেছে
ব্যার্থ আমি হবোনা, তুমি যে আমার স্বত্তাসঙ্গিনী
শান্তিগুলো সব আমার তোমার হৃদয় মাঝে।

মোরা কেঁদেছি একই দুঃখে, হেসেছি একই সুখে
কখনো ভাবিনি তুমি চলে যাবে
এভাবে রেখে আমায় একাকী।

আজও খুঁজে ফিরি নগরে-পল্লীতে
খুঁজে তোমায় পেতেই হবে, অস্তিত্ব তুমি আমার
যদি কেউ শোন এ গান আমার
যদি কেউ খুঁজে পাও ওকে, শুনিও এই গান

আমি খুঁজেছি তোমায় আজও পাহাড় চূড়াতে
সাগরের নীল অতলে, তবু কেন তোমায় খুঁজে পাইনা
রূপকথার সমাপ্তি হয়, হয় না তো সুখের বাসরে, দুঃখ আমারই।

না

আর চার দেয়ালে কেন একা ডূবে থাকা
এই বর্তমানকে দূরে ঠেলে অতীতের ছবি আঁকা
আর যত কারনে এই দ্বিধার বাড়াবাড়ি
জাগবেনা আর জীবন তোমার হলে সান্ধ্য আইন জারি
আর কেন হাত গুটিয়ে বসে থাকা
কিসেরই ভয়ে ভয়ে
আমি নেই কোন নিষিদ্ধ পরিচয়ে
মন যাকে দেবে সিদ্ধান্ত আজই নাও
যাবে এক নিমিষে ছন্দময় হয়ে
শুধু না না না না না বলে, কর না না আসলে।

না না না……কালজয়ী বাঁধনে আমি বন্দী হতে জানি
থাকবেনা আর তখন আমার মহাবিশ্বের হাতছানি
আর যদি এ মনবের পরিবর্তন হবে ভাবো
ভেবোনা আর না এ তোমার উৎসাহ হারাবো।

আগামী

ধ্বংসের সীমানায়, স্বপ্নে সাজানো আঙিনায়
তুমি কি উন্নত শিরে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতায়
বেদনা ভুলে যাই, যখনই তোমাদের খুঁজে পাই
রাহুমুক্ত করতে প্রতিজ্ঞ বন্দী চেতনা
শোষণের দেয়াল ভেঙে আলোকিত দিনের সূচনায়।

তুমি আশা আগামী, অশ্রু ধোয়া আগামী
দুঃখী মানুষের দেশে সুখের কাহিনী শোনাই
তুমি আশা আগামী, মোহিত স্বপ্নে আমি
সোনালী দিনের আশায় প্রতীক্ষার দৈর্ঘ বাড়াই
বেদনার ধূসর বালুচরে।

তুমি কি কেঁদেছ যখনই অপমান দেখেছ
যখনই এই বাংলা সয়েছে কালিমা অবহেলায়
পরাজয় মুছে যায় তোমার দৃপ্ত পদচারনায়
নির্মূল তুমি করবে সমাজ থেকে ঘৃণ্য লুটেরা
শোষিতের বিজয়ের কালে বিকশিত মনের কামনায়।

রাহুমুক্ত করতে প্রতিজ্ঞ বন্দি চেতনা
নির্মূল তুমি করবে সমাজ থেকে ঘৃণ্য লুটেরা
সংকীর্ণতা ভাঙলে এদেশ হবে ঋদ্ধ ঠিকানা
শোষনের দেয়াল ভেঙে আলোকিত দিনের সূচনায়।

হতাশা

সকাল থেকে রাত্রি সময় কাটে না যে
নানান বাজে চিন্তা আমায় ঘিরে রাখে
অন্তরের ভেতর শুধু কষ্টের হাহাকার
বিষন্নতার আভা সদা আমার আকাশে

হতাশা, কালো ছায়া হয়ে জড়িয়ে আছে
হতাশা, দিশেহারা আমি আঁধারে একা
একা আঁধারে হায় বসে থাকি
শুধু ভাবি শেষ কবে হতাশার

ভালোবাসার ক্ষত শুকোয়নি যে আজও
তোমার মধুর কন্ঠ আজও কানে বাজে
জীবন আমার শুধুই যেনো কষ্টের বোঝা হায়
সব নেশার মরণ নেশা কষ্টের মাদকতা

হতাশা, কালো ছায়া হয়ে জড়িয়ে আছে
হতাশা, দিশেহারা আমি আঁধারে একা
একা আঁধারে হায় বসে থাকি
শুধু ভাবি শেষ কবে হতাশার

হেএএএ এহেহেহে আহাহাহাহাআআআ

হতাশা, কালো ছায়া হয়ে জড়িয়ে আছে
হতাশা, দিশেহারা আমি আঁধারে একা

সুদিন আমার সয়না তাই দুঃখ ফিরে আসে
হতাশাগুলো তাই বুঝি মুখ চেপে হাসে
জীবন আমার শুধুই যেনো কষ্টের বোঝা হায়
সব নেশার মরণ নেশা কষ্টের মাদকতা

হতাশা, কালো ছায়া হয়ে জড়িয়ে আছে
হতাশা, দিশেহারা আমি আঁধারে একা

মৃত্যু এলিজি

এই আকাশ, মুক্ত মাঠ, সাগর, জলরাশি
এক দিন আসি বলে চলে যাবো সেথায়
যেথায় নিঝুম পাইন বন শষ্য মাঠ
খেলার পৃথিবী কিছু নেই
শুধু ঘুম আর ঘুম

আআআআ আহাহা আআআ

যখন সূর্যাস্তের ঝিরি ঝিরি নিশি বাতাসে
নৌকাগুলো ফিরে আসে পাল তুলে
তখন আমি জ্বালাবো না সন্ধ্যেপ্রদীপ
পড়ে থাকে ছেলেবেলার বাঁশি
জলছবি সময় পলকে
এই কিছুটা ভেঙে যেতে পারি

আআআআ আহাহা আআআ

এহেহেহে এহেহেহে

স্মৃতিগুলো

সেই সুখ ছবি আজও ভেসে বেড়ায়
ঐ ঝাউ বনের নিরালায় এখনও
সেই সুখপটে শুধু আছ তুমি
আছ আমারই চেতনার মাঝে যে
ওওওও আমি পারিনা যে
ওওওও তোমায় ভুলে যেতে
সেই স্মৃতিগুলো মনেরই মাঝে
জেগে রয় যে শুধু সারাক্ষন
আমি পারিনা যে ঐ চোখেরই ভাষা
এই মন থেকে হারাতে

বসে থেকে একা একা
শুন্য বুকেরই মাঝে যে
তোমায় খুঁজে বেড়াই ঐ নীল সীমানায়
সেই যে পাহাড় চূড়ায় তুমি নেই
সেই স্মৃতিগুলো মনেরই মাঝে
জেগে রয় যে শুধু সারাক্ষন
আমি পারিনা যে ঐ চোখেরই ভাষা
এই মন থেকে হারাতে

সেই স্মৃতিগুলো মনেরই মাঝে
জেগে রয় যে শুধু সারাক্ষন
আমি পারিনা যে ঐ চোখেরই ভাষা
এই মন থেকে হারাতে

প্রতীক্ষা

দুঃস্বপ্নের শেষ সীমানায়, চমকে ঘুম ভেঙ্গে যায়
জেগে দেখি তুমি পাশে নাই, চোখ পড়ে খোলা জানালায়
জোছনায় আলো নেই আর, হতাশার কালো আঁধার
নির্বাক রয় ধরণী, দুঃখ যেনো আমারই

এক ঝিম-ধরা দিবা স্বপনে, আনাগোনা সন্দেহে
আমি একা মেতে উঠি, পুণ্যে বিকশিত
পাপের খেলায়, কারাগারের অবহেলায়
পচন ধরে এ মনে, শরীরে
কবে আসবে ফিরে ভালোবাসা

জীবনের সব আশায়, হতাশার আলিঙ্গনে
ঘুণে ধরা স্বপ্নগুলো, সব যেনো এলোমেলো
স্মৃতি নিয়ে আমি একা, ভাসমান এই জীবন
তাই বুঝি বেঁচে থাকা, জানিনা এর শেষ কোথায়

এক গোলক ধাঁধাঁয় আটকে পড়া, অবনত হৃদয়ে
দিশেহারা ছুটি আমি, রাতের আলোকিত, নগর প্রণয়,
ভালোবাসার প্রতারণায়, পচন ধরা বিশ্বাসে, আশায়…

জনস্রোত

সবাই বলে, আর তুমিও বলো
আর তুমি কি বলো, আর তুমি কি বলো, বলো?
যে পথ জনস্রোত করেছে অবরোধ
সেই পথ এখনও কি লাগছে ভালো?
কি লাগছে ভাল, বলো?

অবশেষ আর ভাবিনা, ভেঙে সীমানা, দেখি অজানা প্রান্তর
মেঠো পথ এঁকে চলেছি, ভয় ভুলেছি, গত হচ্ছে না মন্থর
আঁধার এর সাথে সন্ধি, নই বন্দী, নয় ক্লান্ত এ অন্তর
এইখান থেকে ফিরবার, পিছু হটবার, কোন প্রশ্ন অবান্তর।

সেই আমারই দেখা চাইলে, আমার খোঁজে ব্যস্ত হলে
জনাকীর্ণ পথের নিরাপত্তার মায়া একটু ভোলো।

প্রতিবাদে দিন গুনেছি আর শুনেছি অই রাবণের হুংকার
একটুও বুক কাঁপেনি, ঘাড়ে চাপেনি, তোষামোদের নমস্কার
কুয়োতেই ওরা বড়ো হোক, আর জড়ো হোক, হাতে চাতুর্য সম্ভার
অসীমের পথে চলবো, আর বলবো এই আমার অহংকার।

সত্য

যত সাজানো গল্পে, চাকচিক্যের আড়ালে
লুকানো সত্য নীরবে কেঁদেছে, নীরবে কেঁদেছে
লোভনীয় বিকল্পে, ধাঁধানো মিথ্যার মায়াজালে

বেনিয়ার যে নকশায়
পৃথিবী রঙ বদলায়
বিপণন জীবন অবলীলায়…

গোপনীয় অবক্ষয়, মানবেতর প্রাণের অনুনয়
বিকারী তথ্য সকল বাঁধ ভেঙেছে
সাধারণের ধিক্কার, সাদা মোড়কে লুন্ঠিত সুবিচার

বেনিয়ার যে নকশায়
পৃথিবী রঙ বদলায়
বিপণন জীবন অবলীলায়…

সময়

একাকি হৃদয়ে থাকবে আর কতোকাল
ছন্নছাড়া অভিমান
নিরালায় একাকি শুনবো আর কতোকাল
অন্ধকারের কলোতান

নেমেছি তাই আমি জীবনের পথে
বাতাসের কাকলি বলে যে যায় আমাকে

সময়ের ছলনায় ভুলে যাবো অভিমান
সময়ের ছলনায় মুছে যাবে পিছুটান

দুঃস্বপ্নের দিন থমকে যে যায়
শুধু অবিরাম সময় বয়ে যায়
কতো বিষাদে কতো বিরহে
কতো প্রহর কেটে গেছে
বোবা সময়ের মৃদু স্পর্শে
সব যন্ত্রনা মুছে গেছে

সময়ের ছলনায় ভুলে যাবো অভিমান
সময়ের ছলনায় মুছে যাবে পিছুটান

নিঃসঙ্গ প্রাসাদে লিখবো আর কতোকাল
দীর্ঘশ্বাসের কবিতা
মেঘ ঢাকা আকাশে আঁকবো আর কতোকাল
রঙহীন ধূসর জলছবি

নেমেছি তাই আমি জীবনের পথে
বাতাসের কাকলি বলে যে যায় আমাকে

সময়ের ছলনায় ভুলে যাবো অভিমান
সময়ের ছলনায় মুছে যাবে পিছুটান

ধূসর মানচিত্র

এ কেমন সুখ যখন দেখি ক্ষুধার্ত মুখ
এ কেমন স্বাধীনতা যেখানে কোটি মানুষ শেখে অধীনতা
এ দেশ ভুল পথে বিকৃত ভাঙ্গা হাতে লাঞ্ছিত
কৃষকের স্বপ্ন বিষন্ন বিবর্ন
কালো কাচে ঢাকা এ শহর মত্ত
কি বেদনাময় এ বিশ্বাসহীনতা হায়……

এ কেমন জাতি যারা বিস্মৃত সেই স্মৃতি
এ কেমন রাজনীতি যারা ভোলায় সে প্রতিশ্রুতি
মোরা অভিভুত হয়ে মাতি কবিতা উৎসবে
শিল্প, কালচার, নাটক ও সংগীতে
বস্ত্রহীনেরা বিপন্ন বিস্ময়ে
এখনো কাঁদে ক্ষুধার কোরাসে হায়……

এ কেমন দুঃসময় যখন দেখি সারা পথ জুড়ে
নিত্য মৃত্যু, জীর্ন মানুষের দীর্ঘশ্বাস ওড়ে বাতাসে
হেহেহেওহোহহ
আর রাজপথ ভেঙে ছুটে চলে নীল মার্সিডিজ
উদ্দম বৈভবে গণতন্ত্র যার মাঝে বসে
চোখ মারে আর হাসে

এ কেমন জীবন দেখো ঘুমিয়ে ফুটপাত এ কেমন
এ কেমন জীবনযাপন মোদের
প্রান নেই তবুও দিনযাপন
মোরা রুটির গন্ধে ভুলে অভিভুত ব্রেকফাস্ট
নাটুকে প্রেম সাধারন্যে সন্ত্রাস
কোথাও কাঁদছে দেখো সাঁঝের ভাটিয়ালি
ক্লান্ত বাউল ভাবে প্রেম বড় অভিচারী হায়…………

বেওয়ারিশ

রাতের অটুট নিস্তব্ধতায় ভেঙ্গে গেলো-
কোনো এক
আআআআহ রাত জাগা পাখির ডাকে,
শেওলাধরা পুরানো পাঁচিলে-
ঘেরা গোরস্থানে
আআআআহ উঠছে নামছে ক্লান্তির কোদাল!
তৈরী হচ্ছে নতুন আবাস-
উদ্দেশ্য পরপার
উদ্দেশ্য পরপার!

এএএএএএএএএএহে…………………

সাড়ে তিন হাত ঘরের মালিক রয়েছে পাশে পরে
নিথর দেহ চাটাই মোড়া বুকভরা গুমোট অভিমানে,
চাপচাপ রক্তের করুন আবেদন বেওয়ারিশ আমি
আমায় পৌঁছে দাও আমার মায়ের কাছে!

রাতের অটুট নিস্তব্ধতায় ভেঙ্গে গেলো-
কোনো এক,
আআআআহ রাত জাগা পাখির ডাকে
শেওলাধরা পুরানো পাঁচিলে!

নেই কোনো শেষকৃত্যের আয়োজন
নেই কোনো শব যাত্রা,
নেই আঁতরগোলাপের গন্ধ
নেই অশ্রুর বন্যা,
অনেকে পেয়েছে কাফনের কাপড়
পায়নি যেন মায়ের শেষ আদর!
তাদের পৌঁছে দাও তাদের মায়ের কাছে!

রাতের অটুট নিস্তব্ধতায় ভেঙ্গে গেলো-
কোনো এক
আআআআহ রাত জাগা পাখির ডাকে,
শেওলাধরা পুরানো পাঁচিলে-
ঘেরা গোরস্থানে
আআআআহ উঠছে নামছে ক্লান্তির কোদাল!
তৈরী হচ্ছে নতুন আবাস-
উদ্দেশ্য পরপার
উদ্দেশ্য পরপার!

এএএএএএএএএএহে…………………
উদ্দেশ্য পরপার
উদ্দেশ্য পরপার
উদ্দেশ্য পরপার
উদ্দেশ্য পরপার
উদ্দেশ্য পরপার………

মুক্তি চাই

চেয়ে দেখ চারিদিকে চিৎকার
চেয়ে দেখ চারিদিকে ধিক্কার,
হতাশায় ডুবে দুরাশায় ভুগে
হয়ে গেছে কালো আজ অন্তর।
হয়ে গেছে কালো আজ অন্তর।

চেয়ে দেখ চারিদিকে সংশয়
হারিয়েছি আজ সেই পরিচয়,
সততার মাঝে অভাবের লাজে
স্থির হয় জীবনের পরাজয়।
স্থির হয় জীবনের পরাজয়।

এই সমাজের প্রভুরা
খেলে নিষ্ঠুর খেলা,
হে সমাজের প্রভুরা
কেন এই ধ্বংস লীলা।

চাই না হতে নিপিড়িত,
চাই না হতে প্রতারিত,
চাই না হতে আশাহত,
মুক্তি চাই।

আর নয় বিষন্নতা,
আর নয় প্রবঞ্চনা,
আর নয় দারিদ্রতা,
মুক্তি চাই।

চেয়ে দেখ রঞ্জিত রাজপথ
হারিয়েছে প্রাণ কত প্রিয়জন,
জীবনের সাঁঝে হারানোর গানে
দিকহীন আজ এই সংগ্রাম।
দিকহীন আজ এই সংগ্রাম।

কোনদিন হবে সেই তোলপাড়
ফিরে পাবো না পাওয়ার অধিকার,
হতাশার সব কালো ছায়া
মুছে যাবে আলোর বন্যায়।
মুছে যাবে আলোর বন্যায়।

এই সমাজের প্রভুরা
কোনদিনও ভাবে না,
এই সমাজের প্রভুরা
কেন দেখেও দেখে না।

চাই না হতে সমাজবদ্ধ,
চাই না হতে সবার মত,
চাই না হতে প্ররোচিত,
মুক্তি চাই।

আর নয় মিছে আশা
আর নয় কালো ছায়া,
আর নয় পিছে ফেরা
মুক্তি চাই।

কেন মিথ্যের ভারে
নুয়ে পরে জাতি,
কেন শিক্ষায় করে
অবনতি,
কেন নিষ্ঠার ভয়ে
ঘুনে ধরা জাতি,
কেন ছাত্রের প্রাণে
রাজনীতি।

এই সমাজের প্রভুরা
খেলে নিষ্ঠুর খেলা,
হে সমাজের প্রভুরা
কেন এই ধ্বংস লীলা।

চাই না হতে নিপিড়িত,
চাই না হতে প্রতারিত,
চাই না হতে আশাহত,
মুক্তি চাই।

আর নয় বিষন্নতা,
আর নয় প্রবঞ্চনা,
আর নয় দারিদ্রতা,
মুক্তি চাই।

জীবনধারা

আমারই দেশে এমনি জীবনধারা,
বদলে যায় রাজারা থেকে যায় তার ছায়া।
অসহায় এক জীবনধারা চারপাশে আজ আমার
রাজনীতির শিকলে জীবন সবার
কতকিছু ঘটে যায় তবু থাকতে হয় নির্বিকার
কেটে যাবে এমনিভাবে কারো নেই যে কিছু করার।

কত আশাকে বারেবারে
বেঁধেছে বুকে এই দেশেরই মানুষ,
শত বাধাকে ভেঙে চুরে
মুক্তির নিশানটাকে
সামনে তুলে ধরে বারেবার
বারেবার এগিয়ে গেছে তারা।

আমারই দেশে এমনি জীবনধারা,
বদলে যায় রাজারা থেকে যায় তার ছায়া।

শত ছলনা প্রলোভনে
ভুলেছে মন দেশেরই মানুষের
কবে জনতা এক হবে
মৃত্যুর শপথ নিয়ে
নতন সমাজ গড়ে আরেকবার
আরেকবার এগিয়ে যাবে তারা।

আমারই দেশে এমনি জীবনধারা,
বদলে যায় রাজারা থেকে যায় তার ছায়া।

আশাই জীবন

এই পৃথিবী এক সীমাহীন কষ্টের এক বধ্যভূমি
সুখপাখির নাগাল পাওয়া সে যে বড় এক কষ্টকর,
চারিদিকে শুধু দুঃখ কষ্টেরই অভিযোগ।

তাই মানুষ বেঁচে থাকে
আশাতে পাড়ি জমে,
আশাই জীবন আশাই স্বপন
আশাই মোদের শান্তির নীড়।

জীবনের এই সংগ্রামে
আশাতো মুক্তি দেয়,
অন্ধকার পথে
আশাই আলো জ্বালিয়ে দেয়।

চারিদিকে শুধু দুঃখ কষ্টেরই অভিযোগ,
তাই মানুষ বেঁচে থাকে
আশাতে পাড়ি জমে,
আশাই জীবন আশাই স্বপন
আশাই মোদের শান্তির নীড়।

প্রতিচ্ছবি

তুমি কি এখনো সারারাত
জোছনা দেখো,
তুমি কি এখনো আগের মতই
গান লিখো।

তোমার সে স্বপ্ন
কি এখনো নতুন,
নতুন দিনের হলো কি শুরু
নাকি শেষ।

তুমি কি এখনো সে দিনের কথা
মনে করো,
তুমি কি এখনো আকাশের পানে
চেয়ে সুর খোঁজ।
নিঝুম রাতের তারারা কি এখনো
তোমাকে খোঁজে,
অশ্রুকণা গুলো কি এখনো
বৃষ্টি হয়ে নামে।

তোমার সে স্বপ্ন
কি এখনো নতুন,
নতুন দিনের হলো কি শুরু।

তোমার ঐ চোখের মাঝে
এখনো কি তারারা হাসে,
রাতের পাখিরা কি এখনো
তোমায় ডাকে।

ভালো নেই বলে কি
থেমে যাবে তোমার সবই,
চেয়ে দেখো সে জোছনা তাকিয়ে আছে
তোমার পানে।

তুমি তো এখনো ঘুমিয়ে আছো
আমারি মাঝে,
আয়নায় মোর প্রতিচ্ছবি
সে তো আমি নই-
তুমি।

মনে পড়ে

মনে পড়ে
সেই রাতের কথা
তুমি আমি নদী তীরে
একা বসে
কত যে গান
কত যে সুর
কত যে কথা
মনে পড়ে কি তোমারো
বলো না আমায়
তুমি
বলো না

মনে পড়ে
সেই দিনের কথা
কেঁদেছিলে
আমিতো কথনো চাইনি
তোমায় কষ্ট দিতে
তুমি কি তা জানো না
বলো না আমায়
তুমি
বলো না

জানি আমি তুমি যে আমার
তবু কেন দিশেহারা
ভাবি আমি তুমি যে পাশে
তবু কেন আছো দুরে
মনে পড়ে…

জানি আমি এমনি জীবন
তবু জাগে মনে আশা
ভরে যাবে স্বপনে জীবন
যদি তুমি থাকো পাশে

মনে পড়ে
সেই রাতের কথা
তুমি আমি নদী তীরে
একা বসে
কত যে গান
কত যে সুর
কত যে কথা
মনে পড়ে কি তোমারো
বলো না আমায়
তুমি
বলো না

অন্ধ জীবন

অন্ধ জীবন ক্ষুন্ন বিষন্ন মরন
স্নিগ্ধ বাগান তবু মাকাল ফলের ফলন
বন্ধ ঠোঁটে না বোঝা কথার বলন
দুর্বল পায়ে অহংকারি চলন

চোখের দৃষ্টি যদি জানালার বাইরে নেই
তোমার এই পথ যদি হয় অন্যের গড়া
অন্ধ এ জীবন

ভঙ্গুর ঘরে তোমার সুখের যাপন
ছিন্ন বস্ত্র তোমার গায়ের পরন
চলার পথে তোমার হাজার মরন
পুরনো বিশ্বাসে নিমগ্ন তোমার এ মন

মনের দৃষ্টি যদি দিপ জ্বেলে না যায়
তোমার ঐ ঘুমে যদি জেগে উঠা না আসে
বিষন্ন মরন

অন্ধ জীবন ক্ষুন্ন বিষন্ন মরন
স্নিগ্ধ বাগান তবু মাকাল ফলের ফলন

তোমার নিজের ঝর্নাতে
মিষ্টি মধুর কত যে সুর
সে ঝর্নার যদি হয় নির্বাসন
অকারন নেয় যদি সেই আসন
অন্ধ এ জীবন

অন্ধ জীবন ক্ষুন্ন বিষন্ন মরন
স্নিগ্ধ বাগান তবু মাকাল ফলের ফলন
বন্ধ ঠোঁটে না বোঝা কথার বলন
দুর্বল পায়ে অহংকারি চলন

চোখের দৃষ্টি যদি জানালার বাইরে নেই
তোমার এই পথ যদি হয় অন্যের গড়া
অন্ধ এ জীবন

অজান্তে

কিসের এত কান্না
তোমার ঐ দুটি চোখে
সারাটা হৃদয় জুড়ে
কিসের এই নিশ্চুপ থাকা।

তুমি জানো না তোমার
রাতের আকাশে
তারা সব ঝলমল আশা
তুমি বোঝ না কষ্ট পাই
নিজের অজান্তে

কিসের এত কষ্ট
তোমার ঐ দুটি চোখে
গোধূলীর রক্তিম আভা
সারাটা দৃষ্টি জুড়ে

মৌনতা

নিরবে একা একা বসে থাকি আমি যখন
তোমারি ছবি ভাসে যে সারাক্ষন
সারাক্ষন এ মনে সারাক্ষন

মৌনতা আছে দীর্ঘশ্বাসের আড়ালে
হৃদয়ে তবু নেইতো কোন দুঃখ এ মনে
স্মৃতি আজ শুধু স্মৃতির কবিতা তুমি
হৃদয়ে অন্তরে আছো শুধু স্মৃতি হয়ে

অনন্ত বিস্ময়ে তোমাকে শুধু ভাবি যখন
তোমাকে নিয়েই ছিলো সব আয়োজন
আয়োজন এ সব আয়োজন

মৌনতা আছে দীর্ঘশ্বাসের আড়ালে
হৃদয়ে তবু নেইতো কোন দুঃখ এ মনে
স্মৃতি আজ শুধু স্মৃতির কবিতা তুমি
হৃদয়ে অন্তরে আছো শুধু স্মৃতি হয়ে

জননী, মা

আকাশ জুড়ে কি সুন্দর তারা
হীরের অলঙ্কারে রূপলী রূপসী
চাঁদের আলোয় মৃদু ঠান্ডা হাওয়া
গাছের ছায়ায় গভীর মায়া

এই সবই তো সুন্দর
এ জীবনের আনন্দ
তার থেকেও সুন্দর
আমার মা

মা গো মা ও মা
এই পৃথিবীর এতো আলো
এতো যে সুন্দর
জীবনের স্পন্দনে
এতো আনন্দ
জেনেছি সেতো শুধু
তোমারই জন্যে
ও গো মা

সাগরের নীলে প্রশান্তির ছোঁয়া
এলোমেলো ঢেউয়ে দামাল হাওয়া
গাঙচিলের ঘরে ফেরার ডাকে
সূর্য ডোবে সাগরের বুকে

এই সবই তো সুন্দর
এ জীবনের আনন্দ
তার থেকেও সুন্দর
আমার মা

রুপাচাঁদ

ও গো রূপাচাঁদ কাজল কালো জলে
আছো ছড়িয়ে নিবিড়ে
কোমল নরম নীলের আবেশে
আছো ছড়িয়ে সারাটা

ও গো চন্দ্রমুখি তুমিও তেমনি
আছো ছড়িয়ে এ হৃদয়
কোমল নরম চোখের আলোতে
আছো জড়িয়ে সারাটা

যা কিছু তোমা হতে সবই সুন্দর রূপালী
যা কিছু তোমা হতে সবই বর্নিল
যা কিছু তোমা হতে সবই সুন্দর পৃথিবীর
শেকড়ে

ও গো রূপাচাঁদ তুষার ঢাকা শিখরে
আছো ছড়িয়ে নিবিড়ে
কোমল নরম প্রতিফলনে
আছো জড়িয়ে সারাটা

ও গো চন্দ্রমুখি তুমিও তেমনি
আছো ছড়িয়ে এ হৃদয়
কোমল নরম প্রতিচ্ছবিতে
আছো ছড়িয়ে সারাটা

যা কিছু তোমা হতে সবই সুন্দর রূপালী
যা কিছু তোমা হতে সবই বর্নিল
যা কিছু তোমা হতে সবই সুন্দর পৃথিবীর
শেকড়ে

এমন দিনে

সোনালী রোদ হাসে
খেলা করে সাগর তীরে
রূপালী মেঘ গুলি
ভেসে চলে আকাশ জুড়ে

আজ এমন দিনে
ভেবে দেখি আবার
সেই আশায় ভরা
স্বপ্নের দিন

এক বিষন্নতায়
কাটে দিন আমার
স্বপ্ন গুলি
কেন মিথ্যে হয়

পাহাড়ি ঝর্নাতে
হিম শীতল পানির ধারা
বনানীর চির সবুজ
সারাবেলা ছায়ায় ঘেরা

আজ এমন দিনে
ভেবে দেখি তোমায়
সেই আলোয় ভরা
স্বপ্নীল মুখ

এক বিড়ম্বনায়
কাঁপে বুক আমার
স্মৃতিগুলি
আজ স্বপ্ন নয়

মরিচিকা তুমি এক
আঁধারে ক্ষীন আলোয়
বহুদুরে তোমার ছায়া
যায় যে মিলিয়ে
পিছে পড়ে আমি আজ
সন্মুখে উঁচু দেয়াল
বহুদুরে তোমার ছায়া
যায় যে হারিয়ে

তুমি যাও যে হারিয়ে

বৃষ্টি নেমেছে

বৃষ্টি নেমেছে রিমঝিমরিম সুরের লহরী
নিঝুম রাতে,
বৃষ্টি নেমেছে কত স্মৃতি বুকে নিয়ে
উদাস করেছে এই রাত।

বৃষ্টি নেমেছে মনে পড়ে যায় আমার গাঁ
বৃষ্টি নেমেছে ঐ মাটির ভালোবাসায়,
বার বার শুধু ডাকে
ফিরে আয় আয় আয়।

স্মৃতির দুয়ার খুলে আমি
পায়ে চলেছি মেঠো পথে।
কাশবন আর ঐ নদীর বাঁকে
আমি সুর করি,
ঐ মাছরাঙা পাখির রঙে
আমি গান ধরি,
ঐ শিস দেয়া পাখির ডাকে।

স্মৃতির দুয়ার খুলে আমি
শুয়ে আছি কোন বটতলে।
নিঝুম আকাশে তারার হাসি
আমি সুর করি,
ঐ নিঝুম রাতের কোলে
আমি গান ধরি,
ঐ জেগে থাকা তারার ভাষায়।

বৃষ্টি নেমেছে রিমঝিমরিম সুরের লহরী
নিঝুম রাতে,
বৃষ্টি নেমেছে কত স্মৃতি বুকে নিয়ে
উদাস করেছে এই রাত।

নির্বাসন

আমাদের ভালোবাসা কোন কারনে
একাকি করেছে দু’জনাকে
হৃদয়ে ধূলোজমা জীবনের পথে
নিঃস্ব হয়েছি আমি

জানাতে চাইনি
পালাবার কারন
নিরব থেকেছি
নিথর হয়ে
দৃষ্টিটা শুধু
ঝাপসা ছিলো যে
অন্যরকম এক
চোখের জ্বলে
বেদনার আবেগে

প্রশ্বাস নেয়া আর নিঃশ্বাস ছাড়তে গিয়ে
জীবন আমার থমকে আসন্ন এক
মরনে…

আমাদের ভালোবাসা কোন কারনে
একাকি করেছে দু’জনাকে
হৃদয়ে ধূলোজমা জীবনের পথে
নিঃস্ব হয়েছি আমি

সেই তখন থেকে
আমাদের এই পথ
মোড় নিয়েছে
অন্য বাঁকে

এলোমেলো এই পাথর পথে
হাটছি এখন এই স্মৃতির পাতায়
একা…

অন্যভূবনে
যাবার সময়
এ নয় আমার
ভালোবাসার
পরাজয়
তোমার
হৃদয়ের
কষ্ট
কমাতে
এ আমার ভালোবাসা

বৃষ্টি শেষে

বসে আছি একা
কাঁচা রোদ বিকেল উদাস
বৃষ্টি শেষে রুপালি আকাশ…
মেঘে জানালাতে
ঝিলমিল সোনালী আভায়
ঝির ঝির বয়ে হিমেল বাতাস…

সোনালী আভার সাথে
ফিরি আমি মেঘে মেঘান্তরে,
হিমেল বাতাসে ডানা মেলি আমিদূরে দুরান্তরে!

বসে আছি একা
কাঁচা রোদ বিকেল উদাস
বৃষ্টি শেষে রুপালি আকাশ…
মেঘে জানালাতে
ঝিলমিল সোনালী আভায়
ঝির ঝির বয়ে হিমেল বাতাস…

পাখিরা সব মেতেছে আজ কুঞ্জ বনে
মাতাল করেছে এই মন
গানে গানে নিবিড়ে আজ
পেতে চায় এ ক্ষন
প্রজাপতি হয়ে ফিরবো ফুলে ফুলে

তবু কেনো এতো ব্যাথা
জাগে মনে অশ্রুধারা…হৃদয়

যখন

যখন মেঘের চাদর টেনে আবছা জেগে জোছনা টিপ টিপ বৃষ্টি,
জেনো আমি পাশে তোমার একসাথে ভিজছি!
যখন সুর্য দিনের মাতাল হাওয়ায় এলোমেলো তোমার চুল,
জেনো আমি পাশে তোমার তোমায় দেখছি!

যখন আমি থাকবো না আর
মনে রেখো আমার এই গান!
যখন আমি থাকবো না,
মনে রেখো আমার এই গান!
যখন….

যখন ছায়া ঘেরা সবুজ বন হাতছানি দিয়ে ডাকে নিবিড়ে,
জেনো আমি পাশে তোমার হাত ধরে হাঁটছি!
যখন বাতাসের ঘ্রাণ চমকে থাকে এক দমকা খুশিতে
জেনো আমি পাশে তোমার চোখে জল হাসছি!

যখন আমি থাকবো না আর
মনে রেখো আমার এই গান!
যখন আমি থাকবো না,
মনে রেখো আমার এই গান!
যখন….

তোমাকে

শুধু সে ভুল ভাবনায়-
যেতে চাইলে যাও চলে যাও।
তবু কেনো এ কান্না?
জানি ভালো থাকতে
শুধু বোলনা ভুলতে
চাইনা বাঁচার উপদেশ
দিন এমনই কাটবে
খেয়ালের ফাঁদে!

তোমাকে মনে পরবে
যখনই জোছনা হাসে,
তোমাকে মনে পরবে
যখনই আকাশ ভেঙে বর্ষা কাঁদে!

যেই মোহের বন্যায়
ভেসে যাওয়া ধন্য হলে,
তাতে পারিনি ভাসতে
অস্তিত্ব ভুলে-
ভুলে,
তাই বোলনা চলতে
স্থরিবতাই সঙ্গী হলে
মন পোড়াই থাকলে
হতাশার ফাঁদে!

তোমাকে মনে পরবে
যখনই জোছনা হাসে,
তোমাকে মনে পরবে
যখনই আকাশ ভেঙে বর্ষা কাঁদে!

যে যায় যাওয়ার পথে দেয়াল হবার কোন স্বপ্ন নাই
যতই কাঁদাও আমায়!
চলি একা পথে…

তোমাকে মনে পরবে
যখনই জোছনা হাসে,
তোমাকে মনে পরবে
যখনই আকাশ ভেঙে বর্ষা কাঁদে!

অবাক ভালোবাসা

সব আলো নিভে যাক আঁধারে
শুধু জেগে থাক ঐ দুরের তারারা
সব শব্দ থেমে যাক নিস্তব্ধতায়
শুধু জেগে থাক এই সাগর
আমার পাশে

সব বেদনা মুছে যাক স্থিরতায়
হৃদয় ভরে যাক অস্তিত্বের আনন্দে
হৃদয় গভীরে অবাক দৃষ্টিতে
থমকে দাড়িয়েছে মহাকাল এখানে

শুভ্র বালুর সৈকতে
এলোমেলো বাতাসে গিটার হাতে
নিস্তব্ধতা চৌচির
উন্মাদ ঝংকারে কাঁদি অবাক সুখের কান্না
যেন চুনি হিরা পান্না
সাগরের বুকে
আলপনা এঁকে দিয়ে যায়
অবাক ভালোবাসায়
অবাক ভালোবাসায়

সব আলো নিভে যাক আঁধারে
শুধু জেগে থাক ঐ দুরের তারারা
সব শব্দ থেমে যাক নিস্তব্ধতায়
শুধু জেগে থাক এই সাগর
আমার পাশে

সব কষ্ট বয়ে যাক সুখের ঝড়
হৃদয় ভরে যাক সহজ নীল স্বপনে
হৃদয় গভীরে অবাক দৃষ্টিতে
থমকে দাড়িয়েছে মহাকাল এখানে

শুভ্র বালুর সৈকতে
এলোমেলো বাতাসে গিটার হাতে
নিস্তব্ধতা চৌচির
উন্মাদ ঝংকারে কাঁদি অবাক সুখের কান্না
যেন চুনি হিরা পান্না
সাগরের বুকে
আলপনা এঁকে দিয়ে যায়
অবাক ভালোবাসায়
অবাক ভালোবাসায়

আলো

কি আশা নিয়ে জেগেছি সকালে
আঁকলাম সূর্য তোমার কপালে
অথচ সারাকাশ জলে বিম্বিত
দৃষ্টি বিভ্রম কল্পনা প্রসূত।

রকম অনেক আশা নিয়ে আমি জেগে উঠি
ক্ষত সেরে গেলে আবার বিব্রত হয়ে উঠি

আলো আরো আলো
আঁধার ঘনালো

আমার এই প্রাণ বৃথাই
উড়ে বেড়ায় তোমারই ছায়ায়
কি এক উৎকন্ঠা আমার
সাঁঝের মেঘ ভেসে যায়
ভেসে যায়
আমি বুঝেছি যে হায় শিশুর মত হতে হয়
সরল হয়

যা কিছু সব আঁকা হয়
তবু সে মুখ আসে না যে মায়ায়
আসলে এরকম কোন মুখ নেই যে
আসলে এরকম মানুষ নেই যে
সবই আছে মায়ায়
মায়াবাদী নই আমি এই ধরায়

আমার এই প্রাণ বৃথাই
উড়ে বেড়ায় তোমারই ছায়ায়
কি এক উৎকন্থা আমার
সাঁঝের মেঘ ভেসে যায়
ভেসে যায়

আমি বুঝেছি যে হায় শিশুর মত হতে হয়
সরল হয়

আসলে এরকম কোন মুখ নেই যে
আসলে এরকম মানুষ নেই যে
সবই আছে মায়ায়
মায়াবাদী নই আমি এই ধরায়

নেই তুমি

জোছনার আলোর মত এসেছিলে তুমি
রঙধনুর রঙ হয়ে এঁকেছিলে ছবি,
হঠাৎ এক ঝড় এসে ভেঙ্গে দিল সবই
মেঘে ঢেকে গেল আমার এই পৃথিবী!

নিঃসঙ্গ আজ এই যে আমি
খুঁজে ফিরি আজও কোথায় তুমি,
নদী যেমন মেশে মোহনায়
তেমনি আছো তুমি মনের আয়নায়!

মনে পড়ে সেই দিনগুলো
আনমনে বলতে তুমি-
যাবে না আমায় ফেলে
কভু অন্য ভুবনে!

হঠাৎ এক ঝড় এসে ভেঙ্গে দিল সবই
মেঘে ঢেকে গেল আমার এই পৃথিবী!

নিঃসঙ্গ আজ এই যে আমি
খুঁজে ফিরি আজও কোথায় তুমি,
নদী যেমন মেশে মোহনায়
তেমনি আছো তুমি মনের আয়নায়!

একসাথে কত তারাগোনা
অভিমানে নীরবতা-
কখনো বা আবেগে শুধু
জড়াতে আমায়!

হঠাৎ এক ঝড় এসে ভেঙ্গে দিল সবই
মেঘে ঢেকে গেল আমার এই পৃথিবী!

নিঃসঙ্গ আজ এই যে আমি
খুঁজে ফিরি আজও কোথায় তুমি
নদী যেমন মেশে মোহনায়
তেমনি আছো তুমি মনের আয়নায়!

জোছনার আলোর মত এসেছিলে তুমি
রঙধনুর রঙ হয়ে এঁকেছিলে ছবি,
হঠাৎ এক ঝড় এসে ভেঙ্গে দিল সবই
মেঘে ঢেকে গেল আমার এই পৃথিবী!

নিঃসঙ্গ আজ এই যে আমি
খুঁজে ফিরি আজও কোথায় তুমি,
নদী যেমন মেশে মোহনায়
তেমনি আছো তুমি মনের আয়নায়!

নেই প্রয়োজন

তুমি আমি যেনো ছিলেম স্বপ্নে গড়া যুগল
জলরঙে আঁকা ছিলো যে স্বপ্নে ভরা ভুবন!

কত সুখের আনাগোনায় কেটেছিলো সময়
বসে ভাবি আজও আমি কি করে এমন হয়!

আজ তোমাকে নেই প্রয়োজন
নেই আয়োজন নেই এই মনে,
ভালোবাসা যে ধুলোবালিতে
মিশে যায় সময়ের এই ক্ষনে!

দিন কেটে যায় তুমি নেই তবুও!
রাত্রি পোহায় তুমি নেই তবুও!

সেই তুমি যে আজ নেই পাশে
হেঁটে চলি পথে আমি আজ একা,
সেই তুমি যে আজ পর হলে
রেখে গেলে না পাবার কত ব্যাথা!

দিন কেটে যায় তুমি নেই তবুও!
রাত্রি পোহায় তুমি নেই তবুও!

আজ তোমাকে নেই প্রয়োজন
নেই আয়োজন নেই এই মনে,
ভালোবাসা যে ধুলোবালিতে
মিশে যায় সময়ের এই ক্ষনে!

ছেড়ে গেলে তাই বলে কি বৃথা যাবে এ জীবন
তবু আগাই সামনে দেখো আমি স্বপ্নে ভরা দুনয়ন!

আজ তোমাকে নেই প্রয়োজন
নেই আয়োজন নেই এই মনে,
ভালোবাসা যে ধুলোবালিতে
মিশে যায় সময়ের এই ক্ষনে!

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s