Aurthohin

 

সূর্য

নীল আকাশের নীচে পাখির কলতানে
সবুজ ঘাসে হাঁটছি গীটারটা নিয়ে
মাথার ভেতর নতুন একটা সুর ঘুরে
হঠাত্‍ করেই আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামে

ফুলের সুবাস বাতাসে ভেসে আসে
এত সুখের মাঝেও কেন চোখে পানি আসে
সকালের এই মিষ্টি আলো কি যে ভালো লাগে
হঠাত্‍ করেই যে আমার ঘুমটা যায় ভেঙে

চারিদিকে আঁধার অশ্লীল কালো
স্রষ্টার কাছে মিনতি দেখাও একটূ আলো
দেহের এই অসুখটা বাড়ছে প্রতিদিনই
জীবনের শেষ ঘণ্টাটা বাজতে এখনো বাকী

আমার যেন মৃত্যু হয় সূর্য ওঠার আগে
সূর্যের কাছে যে আমার অনেক ঋণ আছে
তাই আমি দেখতে চাই না এই সূর্যটাকে
আমার যেন মৃত্যু হয় সূর্য ওঠার আগে

দেহের পচনটা বাড়ছে একটু একটু করে
অসীম এই যন্ত্রনা মোরে বোবা করে রাখে
সুখ নামের শব্দটা যে অচেনা লাগে
চলে গেছে কোথায় আমায় একা ফেলে

দেখতে আর ভালো লাগে না ওই নীল আকাশটা
সারারাত তাকিয়ে দেখি ঘরের সিলিংটা
ইচ্ছে ছিল পৃথিবীটা বদলে দেবার
ইচ্ছে ছিল গীটার হাতে যুদ্ধে যাবার

চারিদিকে আঁধার অশ্লীল কালো
স্রষ্টার কাছে মিনতি দেখাও একটূ আলো
দেহের এই অসুখটা বাড়ছে প্রতিদিনই
জীবনের শেষ ঘণ্টাটা এখনো বাজতে বাকী

আমার যেন মৃত্যু হয় সূর্য ওঠার আগে
সূর্যের কাছে যে আমার অনেক ঋণ আছে
তাই আমি দেখতে চাই না এই সূর্যটাকে
আমার যেন মৃত্যু হয় সূর্য ওঠার আগে

চারিদিকে আঁধার অশ্লীল কালো
স্রষ্টার কাছে মিনতি দেখাও একটূ আলো
দেহের এই অসুখটা বাড়ছে প্রতিদিনই
জীবনের শেষ ঘণ্টাটা এখনো বাজতে বাকী

আমার যেন মৃত্যু হয় সূর্য ওঠার আগে
সূর্যের কাছে আমার অনেক ঋণ আছে
তাই আমি দেখতে চাই না এই সূর্যটাকে
আমার যেন মৃত্যু হয় সূর্য ওঠার আগে

আমার যেন মৃত্যু হয় সূর্য ওঠার আগে
সূর্যের কাছে আমার অনেক ঋণ আছে
তাই আমি দেখতে চাই না এই সূর্যটাকে
আমার যেন মৃত্যু হয় সূর্য ওঠার আগে

রাতের ট্রেন

নিবিড় অজানায় ছুটে
ছুটে যায় ওই রাতের ট্রেন

মিশে যায় পাহাড়ে ঘেরা
কালো সেই পথ ধরে
স্মৃতির জানালা খুলে দেখি
ওই বহু দূরে

দূরে ছুটে চলে রাতের ট্রেন
পেরিয়ে যায় আমার সুখেরই শহর
আরো দূর বহুদূরে পথে যেতে হবে
জীবনের মাঝে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড়

বৃষ্টি ছুঁয়ে যায়
কোনো দূর মেঠো পথে
স্তব্ধ ওই সীমানায়
বৃষ্টির শব্দ এসে
আমার এই মনটাকে
বিক্ষুব্ধ করে দেয় এই রাতে

জানালায় অথৈ বাতাস
ছুঁয়ে যায় আজ আমাকে
অস্থির মন তাই আজ আমার
ঘর ছাড়া এই জীবনটাকে
নিয়ে চলেছি বহুদূর
জানিনা কোথায় থমকে যাবে

দূরে ছুটে চলে রাতের ট্রেন
পেরিয়ে যায় আমার সুখেরই শহর
আরো দূর বহুদূরে পথে যেতে হবে
জীবনের মাঝে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড়

দূরে ছুটে চলে রাতের ট্রেন
পেরিয়ে যায় আমার সুখেরই শহর
আরো দূর বহুদূরে পথে যেতে হবে
জীবনের মাঝে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড়।

অদ্ভুত সেই ছেলেটি – ২

মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় একটি ছেলে
কে যেন ডাকে তাকে গভীর অরণ্যে
অচেনা একটি সুর বাজে তার মনে
জোছনাটা তার পানে চেয়ে মুচকি হাসে

হৃদয়ে সব বেদনা ছড়িয়ে আকাশটাতে
মনে একটা সুর যাবে সে সেই অরণ্যে

জোছনায় অজানা পথে চলা
বুকে অনেক আশা
জোছনায়
হারিয়ে যাওয়া আর ভালোবাসা

পারি দেয় সে অনেক দেশ অনেক নতুন শহর
পায় না সে স্বপ্নে শোনা সুর কেটে যায় প্রহর
তারপর কোনো এক শহরের প্রান্তে
দেখতে সে পায় স্বপ্নে দেখা অরণ্যটাকে

হৃদয়ে সব বেদনা ছড়িয়ে আকাশটাতে
মনে একটি ভাবনা শুনবে সে সেই সুরটাকে

জোছনায় অজানা পথে চলা
বুকে অনেক আশা
জোছনায়
হারিয়ে যাওয়া আর ভালোবাসা

বনের মাঝে দেখতে পেল সে একটি ফুল নাম না জানা
পাশে তার ঘুনে ধরা গিটার আর হারমোনিকা
সবকিছুই কেমন যেন তার চেনা মনে হয়
হঠাত্‍ প্রকৃতি তাকে শোনায়
তুমি সেই ছেলেটি যার জন্য প্রতীক্ষা
তুলে নাও তোমার এই গিটার আর হারমোনিকা

জোছনায় হারানো তুমি আসলে আবার
জোছনায় হেঁটে যেতে তুমি হাতে গিটার

লা লা লা
লা লা লা

মনে পরে সেই স্মৃতি মুচকি হাসে জাতিস্মর
এসেছি তোমাদের মাঝে ইচ্ছে গান শোনাবার
তুলে নেয় সে হাতে গিটার বন্য সেই সুরে
ভাঙা গিটার হারমোনিকা আবার জেগে ওঠে

প্রকৃতির দুঃখ ঘুচে যায় সেই মায়াবী সুরে
ছেলেটির জলভরা চোখ হঠাত্‍ এলোমেলো চুলে

জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা
জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা

জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা
জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা

জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা
জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা

কল্পনা

কল্পনাতে আমার বসত কল্পনাতেই বাড়ি
কল্পনাতে ভালোবাসা কল্পনাতেই আড়ি
কল্পনাতে গানের মেলা কল্পনাতেই সুর
কল্পনাতে তোমার সাথে চলে যাওয়া বহুদূর

কল্পনাকে সাথী করে পথ যখন চলি
তোমার কথা ভেবে ভেবে হারাই চেনা গলি
কল্পনাতেই কল্পনাতেই

কল্পনাতে তোমায় গড়ি কল্পনাতে জড়াই
কল্পনাতে তোমায় খুজে কল্পনাতেই হারাই
কল্পনাতে ব্যাকুলতা কল্পনাতেই পাওয়া
কল্পনাতে হাতড়ে মরে দূরে দূরে সরে যাওয়া

কল্পনাতে হাতড়ে মরি তোমার ভালোবাসা
কল্পনাতে তোমার কাছে ফিরে ফিরে আসা
কল্পনাতেই কল্পনাতেই
কল্পনাতেই কল্পনাতেই
কল্পনাতেই কল্পনাতেই

ঘুম

ঘুম ঘুম কেনো দু’চোখে
দেখি রাত
কত ভোর এই মনে

বলোনা তোমার মনের সব কথা
যা ভেবেছো আমায় নিয়ে
বলোনা তোমার সব আশা
যা দেখেছো আমায় ঘিরে

হৃদয় আমার আজ তোমারই শুধু
তবু দূরে থাকো কেনো এই রাতে
স্বপ্ন আমার ঘিরে তোমাকে শুধু
তবু ভেঙে কেনো যায় এই রাতে

ঘুম ঘুম কেনো দু’চোখে
দেখি রাত
কত ভোর এই মনে

বলোনা তোমার মনের সেই কষ্টটা
যা রেখেছো আড়াল করে
বলোনা তোমার দু চোখের অশ্রুটা
কী ফেলেছো আমায় ভেবে

হৃদয় আমার আজ তোমারই শুধু
যেন মিশে থাকো আমার এই বুকে
যন্ত্রনা দাও শুধু আমাকেই কেনো
জাগিয়ে রাখো সারা রাত

ঘুম ঘুম কেনো দু’চোখে
দেখি রাত
কত ভোর এই মনে

ঘুম ঘুম কেনো দু চোখে
ঘুম ঘুম কেনো দু চোখে

আমার ক্লান্তি

আর পারি না আর পারি না
আমার ভীষণ ক্লান্ত লাগে
আর জমে না আর জমে না
রঙিন স্বপ্ন মনের তলে

যা আছে আর যা কিছু নেই
যাচ্ছে ধুয়ে বৃষ্টি ধারায়
আর পারি না আর পারি না
আমার ক্লান্তি আমায় কাঁদায়

তোমার তুমি তোমাতে নেই
আমার আমি হচ্ছি বিলীন
নষ্ট হচ্ছি কষ্ট পাচ্ছি
জমছে ধুলো ভালবাসায়

বৃষ্টি ঝরে বৃষ্টি ঝরে
বৃষ্টি আমার চোখের পাতায়
আর পারি আর পারি না
আমার ক্লান্তি আমায় কাঁদায়

অতীত এবার বিদায় জানায়
জল টলমল বর্তমান আর
আগামীকে দেখছি এবার
ঘনিয়ে আশা সন্ধ্যা বেলায়

যাচ্ছে ধুয়ে সব কথা সুর
সব ঝংকার গানের খাতায়
আর পারি আর পারি না
আমার ক্লান্তি আমায় কাঁদায়

রাত্রি নামে নিরেট নিকষ
ধুসর স্মৃতি ক্লান্ত দিবস
ঘুমায় আঁধার তুমি ঘুমাও
বৃষ্টি পালায় ঝড় থেমে যায়

শিউলি ফুলের সুবাস মেখে
আমার এরাত বয়ে যায়
আর পারি আর পারি না
আমার ক্লান্তি আমায় কাঁদায়

আর পারি আর পারি না
আমার ক্লান্তি আমায় কাঁদায়
আর পারি আর পারি না
আমার ক্লান্তি আমায় কাঁদায়।

আত্মহনন

মাঝরাত নিস্তব্ধ জেগে থাকি আমি
অজানা এক অস্থিরতায়
দেয়ালের মাকড়সাটা শুধু চেয়ে থাকে
দেখে আমার চোখ ভরা হতাশা
অন্য এক জগত ডাকে আমায়
সেথায় আছে কি আমি জানি না
ঘাড়ের পাশে কে যেন এসে দাঁড়ায়
মনে হয় নিঃশ্বাসের শব্দ পাই

দরজার বাইরে আজ ঘন আঁধার
শুনি শুধু অট্টহাসি অমাবশ্যার
মস্তিষ্কের কোষগুলো হয়ে যায় অবশ
চোখের সামনে দেখি আজ আমার কবর

ক্রোধ আমার হাতের আঙ্গুলে ঘৃণা আমার নখে
মনের এক অস্থিরতা খাচ্ছে কুরে কুরে
উড়বো আমি আকাশটাতে আজ অন্যভাবে
সবার দুঃখে হাসবো আমি অন্ধকারে বসে

পৃথিবী আজ আমার কাছে যে অন্যরকম
মনের মাঝে একটি স্বত্তা আত্মহনন

পৃথিবী আজ আমার কাছে যে অন্যরকম
মনের মাঝে একটি স্বত্তা আত্মহনন

চাইনা আমি ভালোবাসা
চাইনা সাগরের বিশালতা
থাকবো না এই নষ্ট সমাজে
যাচ্ছি চলে তাই বহুদূরে

আত্মহনন
আত্মহনন

সস্তা স্বপ্ন

আমার সস্তা স্বপ্নের এপিঠ ওপিঠ
ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করা কষ্টের অতীত
মর্চে ধরা ভঙ্গুর এই জানালার শিক
তবুও বন্দী আমার এই বিবেক রসিক।

সবকিছু ভেঙেচুরে বেরিয়ে আসার স্বপ্নটাকে ভোলা কি ঠিক
তুমি হয়তো ভাবছো অন্য সব সস্তা গানের মত আমার লিরিক

আমার নোংরা পায়ে শ্যাওলাধরা
শুকনো মাটির উপর পিছলে পরা
সোনার বাধানো দাঁতে লজেন্স পোকা
শূন্য বাড়ির দরজায় আলতো টোকা

সবকিছু ভেঙেচুরে বেরিয়ে আসার স্বপ্নটাকে ভোলা কি ঠিক
তুমি হয়তো ভাবছো অন্য সব সস্তা গানের মত আমার লিরিক

চোখের ময়লার মত আমার হৃদয়
কেটে ফেললেই চলে গেল তবু আবার উদয়
তবুও মনে জাগে উদ্ভট আশা
তবুও মনের কুঠুরীতে আছে ভালোবাসা

সবকিছু ভেঙেচুরে বেরিয়ে আসার স্বপ্নটাকে ভোলা কি ঠিক
তুমি হয়তো ভাবছো অন্য সব সস্তা গানের মত আমার লিরিক

সময়

কতোটা সময় বয়ে যায়
নদীর স্রোতেরই ধারায়
হৃদয়ে দুকূল ভেঙে ভাসায়
কতোটা সময় বয়ে যায়
নদীর স্রোতেরই ধারায়
হৃদয়ে দুকূল ভেঙে ভাসায়

তবুও দেখো আশায় আছে
হৃদয়টা গড়বো ভেবে
সোনালী রোদে রাঙাবো তোমায়
তবুও দেখো আশায় আছে
হৃদয়টা গড়বো ভেবে
সোনালী রোদে রাঙাবো তোমায়

হৃদয়ের অগোচরে চলে গেছে সে বহুদূরে
চেনা মুখগুলো অচেনা এবার
হৃদয়ের অগোচরে চলে গেছে সে বহুদূরে
চেনা মুখগুলো অচেনা এবার

তবুও দেখ আশায় আছে
হৃদয়টা গড়বো ভেবে
সোনালী রোদে রাঙাবো তোমায়

যতবার দেখি তোমায়
মনে হয় তুমি আছো আমার
তবু কেন দূরে যাবার ভয়
যতবার দেখি তোমায়
মনে হয় তুমি আছো আমার
তবু কেন দূরে যাবার ভয়

তবুও দেখো আশায় আছে
হৃদয়টা গড়বো ভেবে
সোনালী রোদে রাঙাবো তোমায়
তবুও দেখো আশায় আছে
হৃদয়টা গড়বো ভেবে
সোনালী রোদে রাঙাবো তোমায়

কতোটা সময় বয়ে যায়
নদীর স্রোতেরই ধারায়
হৃদয়ে দুকূল ভেঙে ভাসায়
কতোটা সময় বয়ে যায়
নদীর স্রোতেরই ধারায়
হৃদয়ে দুকূল ভেঙে ভাসায়

দূর থেকে

রাতটা আজ অন্যরকম নীরবতার গান
আকাশটা ঘন কালো জোছনার অভিমান
একটি ছেলে বসে আছে জোছনার অপেক্ষায়
মেঘের মাঝ থেকে উঁকি দেয় চাঁদ ছেলেটার দুঃখ ভোলায়
কোনও এক ছোট্ট শহরে অনেক দূরে
ভাবছে একই কথা একটি মেয়ে একাকী বসে
মনে পরে তার পুরোনো কথা ভালোবাসার
জোছনটা না দেখলে যে তার ঘুম আসে না

ভাবছে সে তুমি কী এখন
দেখছো এ জোছনা তাদের মতোই
ভাবছে সে তুমি কী এখন
ভাবছো আমার কথা আগের মতোই

রাতটা আজ অন্যরকম এলোমেলো
অশ্রু জলে ভেজা ঝাপসা চোখে চাঁদের আলো
বুকের মাঝে তাদের রয়ে যাওয়া চাপা দুঃখ
স্মৃতির পাতাটায় চোখ বোলায় তারা কিযে কষ্ট

কোনও এক জোছনাতেই ছিল তাদের ভালোবাসা
সেদিন ওদের আত্মা ছিল অন্যরকম অনেক আশা
কেন যে সব কিছু ভেঙে গেল অন্যভাবে
গাইতো জোছনাতে স্মৃতিচারন অশ্রুজলে

ভাবছে সে তুমি কী এখন
দেখছো এ জোছনা তাদের মতোই
ভাবছে সে তুমি কী এখন
ভাবছো আমার কথা আগের মতোই

রাতটা আজ অন্যরকম।

চলে গেলে

চলে গেলে তুমি মিথ্যে বলে আমায় একা ফেলে
ভেবেছিলে আমি ধ্বংস হবো কষ্ট আর অভিমানে
চলে গেলে বড় অসময়ে ভেবে নিঃশেষ আমাকে
সুসময় তখনো আসতে বাকি তা তুমি জানলে কিভাবে

কষ্টের সাধ্য কী আমার অশ্রু ঝরাবে
দুঃসময়ের সাধ্য কী আমায় কষ্টে ভাসাবে
আমি শক্ত হাতে জীবন তরীর ওই হাল ধরেছি
দেখ তোমাকে ছাড়াও একাকী পথ ধরে এগিয়ে চলেছি।

দুঃসময়ের ঘন্টাধ্বনি শুনে আর্তনাদ করে কেঁদেছি
আমি অনুনয় বুকে নিয়ে আর ধু ধু চোখ মেলে তোমাকেই পাশে চেয়েছি
সুসময়ের স্বপ্ন নিয়ে তুমি ডানা মিলে ছিলে দূর আকাশে

কষ্টের সাধ্য কী আমার অশ্রু ঝরাবে
দুঃসময়ের সাধ্য কী আমায় কষ্টে ভাসাবে
আমি শক্ত হাতে জীবন তরীর ওই হাল ধরেছি
দেখ তোমাকে ছাড়া একাকী পথ ধরে এগিয়ে চলেছি

কষ্টের সাধ্য কী আমার অশ্রু ঝরাবে
দুঃসময়ের সাধ্য কী আমায় কষ্টে ভাসাবে
আমি শক্ত হাতে জীবন তরীর ওই হাল ধরেছি
দেখ তোমাকে ছাড়া একাকী পথ ধরে এগিয়ে চলেছি।

ভাবছে সে

অরুনোদয়ের অগ্নি সাক্ষী তুমি
নরম ঘাসের পেলবতা
সদ্য ফোঁটা গোলাপ কলির মত
কোমল তোমার সজীবতা
তুমি যেন মোমের মূর্তি হয়ে
রয়েছ আমার হৃদয়ে
ছুঁয়ে দেখতেও দ্বিধা হয় তোমায়
যদি ভেঙে যাও সেই ভয়ে।

ইচ্ছে করে শুধু দেখি তোমায় দুচোখ ভরে
রংধনুর সাতটি রঙে সাজিয়ে নেই আপন করে
শুধু দূর থেকে দূর থেকে।

সাগরের নীল জলের মত প্রশান্ত ঐ মুখচ্ছবি
যেন পটে আঁকা শিল্পে তুমি অনন্যা প্রিয়দর্শিনী

ইচ্ছে করে শুধু দেখি তোমায় দুচোখ ভরে
রংধনুর সাতটি রঙে সাজিয়ে নেই আপন করে
শুধু দূর থেকে দূর থেকে।

প্রতিমার ছবি হয়ে তুমি অধরা আমার কাছে
দেবী হয়ে এসেছ তুমি কেড়েছ হৃদয়টাকে

ইচ্ছে করে শুধু দেখি তোমায় দুচোখ ভরে
রংধনুর সাতটি রঙে সাজিয়ে নেই আপন করে
শুধু দূর থেকে দূর থেকে।

বেদনার চোরাবালি

ইচ্ছার বাদশাহ আমি আবেগের দারোয়ান
সুখের পিঁপড়া আমি দুঃখতে পালোয়ান
প্রজাপতি সুখী তুমি সাবধানে হয়রান
জগজিত্‍ দুখী আমি হতাশায় আলিশান।

অজগর অলসতা শেওলায় জয়গান
নিঝুমের বাচালতা গান আর গান
সুখের অসুখ আমি অসুখের সুখ
বানচাল প্রতারণা নীহারি কাঁদুক।

শীতের সকাল বেলা রাজহাঁস জলকে নীল
তখন হয়তো মন বেদনার চোরাবালি
শীতের সকাল বেলা রাজহাঁস জলকে নীল
তখন হয়তো মন বেদনার চোরাবালি।

ভালোবাসা করনি সাগরে হারায় দ্বীপ
অলস সরীসৃপ মাতা পুত্র নির্ভীক
লেখালেখি উদাসীন নয় কারো পরাধীন
আমার মনের ভাবনা তুমিময় প্রতিদিন।

শীতের সকাল বেলা রাজহাঁস জলকে নীল
তখন হয়তো মন বেদনার চোরাবালি
শীতের সকাল বেলা রাজহাঁস জলকে নীল
তখন হয়তো মন বেদনার চোরাবালি।

LETS GET FUNKY!

শীতের সকাল বেলা রাজহাঁস জলকে নীল
তখন হয়তো মন বেদনার চোরাবালি
শীতের সকাল বেলা রাজহাঁস জলকে নীল
তখন হয়তো মন বেদনার চোরাবালি।

ইচ্ছার বাদশাহ আমি আবেগের দারোয়ান
সুখের পিঁপড়া আমি দুঃখতে পালোয়ান
অজগর অলসতা শেওলায় জয়গান
নিঝুমের বাচালতা গান আর গান

ইচ্ছার বাদশাহ আমি ইচ্ছার বাদশাহ আমি
ইচ্ছার বাদশাহ আমি ইচ্ছার বাদশাহ আমি

আমার না বলা কথা

পারতাম যদি আমি বুক চিরে দেখাতে
অনেক না বলা কথা ভীড় করে পরে আছে
তাহলেই বুঝতে অসহায় দিনকাল
বোবার অট্টহাসি প্রেম যেন আজকাল
গোধুলীর শেষ ভাগে আকাশের কার্পেটে
খয়েরী রঙের ব্যাথা
মধ্য রাতের চাঁদে অনেক দীর্ঘ শ্বাসে
আমার না বলা কথা।

কিছু কথা রয়ে যায় না বলাই ভালো
বৃষ্টির মখমলে অভিনব আলো
আজ তাই বুঝে যাই জীবনের প্রয়োজন
আমার জন্য নয় লাল নীল আয়োজন
গোধুলীর শেষ ভাগে আকাশের কার্পেটে
খয়েরী রঙের ব্যাথা
মধ্য রাতের চাঁদে অনেক দীর্ঘ শ্বাসে
আমার না বলা কথা।

কিছু কথা পরে আছে মিথ্যার বিছানায়
স্বপ্ন করুন সুর সুদূরেই রয়ে যায়
খেয়ালী তোমার চাওয়া হযবরল
হেয়ালি আমার পাওয়া বনবাসী হল
গোধুলীর শেষ ভাগে আকাশের কার্পেটে
খয়েরী রঙের ব্যাথা
মধ্য রাতের চাঁদে অনেক দীর্ঘশ্বাসে
আমার না বলা কথা
আমার না বলা কথা
আমার না বলা কথা
আমার না বলা কথা
আমার না বলা কথা
আমার না বলা কথা
আমার না বলা কথা
আমার না বলা কথা
আমার না বলা কথা

অদ্ভুত সেই ছেলেটি

অদ্ভুত সেই ছেলেটি আবার শুরু করল হাঁটা
কালো লম্বা এলোমেলো চুলে
চোখ দুটো তার ঢাকা
হাতে তার একুয়েস্টিক পকেটে হারমোনিকা
কষ্টে ভরা এ জীবনের
বহু গান যে তার শোনা।

আমাদের এই বাংলাদেশে ছিল তার বাড়ি
কাউকে কিছু না বলে অভিমানে দূর দেশে দিলো পারি
পকেটে টাকা শেষ খাওয়া হয়নি কিছু
ক্ষিদে কেন ছুটছে শুধু তার পিছু পিছু
অদ্ভুত ছেলেটি শুরু করল গাওয়া
হাতে তার একুয়েস্টিক পকেটে হারমোনিকা।

জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা
জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা

একটি বনে ঢুকল সে গাছ্গাছালিতে ঢাকা
আনমনা হয়ে প্রকৃতি দেখে বিশাল বনে একা
ক্ষিদের জ্বালায় অস্থির মন যাবে কী বাড়ি ফিরে
তার চেয়ে এই জীবন ভালো বন্য প্রাণির ভিড়ে
অদ্ভুত ছেলেটি শুরু করল গাওয়া
হাতে তার একুয়েস্টিক পকেটে হারমোনিকা।

জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা
জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা

পাহাড়ী ঝর্ণা রংধনু বাড়ীর কথা বলায়
প্রকৃতি বলে গান গেয়ে যাও শুনছি আমি তোমায়
তুলে নিল সে হাতে গিটার অন্য এক সুরে
প্রতিভার কথা জানিয়ে দিল শান্ত প্রকৃতিকে
অদ্ভুত ছেলেটি শেষ হয়না গানটা
ক্ষুদার্ত দেহ থেকে জীবনটা চলে যায়
রয়ে যায় সে সুরটা।

জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা
জোছনায় অজানা পথে চলা
এখানে আছে যে মোর ভালোবাসা

বলছে এ প্রকৃতি যে সুরের রঙে আঁকা
সেই ছেলেটির সবগুলো গান
হলোনাতো মোর শোনা
বনের একটি শুকনো ফুল নাম না জানা
পাশে ঘুনে ধরা একুয়েস্টিক ভাঙা হারমোনিকা
হারমনিক হারমোনিকা হারমোনিকা।

নিকৃষ্ট

কখনো কি তোমার মনে হয় যে তুমি কোথাও নেই?
শুরু কিংবা শেষ
অথবা মাঝামাঝি?
বজ্রপাত হোক আর না হোক
ঘুম তোমার ভাঙ্গুক আর না ভাঙ্গুক
চারিপাশ যে থাকবে তোমারি সবসময়েই অন্ধকার

তুমি বলেছিলে মানুষ বদলায়
আমিও বদলে গেছি, বুকের মাঝে জাপটে ধরে থাকা…হারিয়ে গেছে

তোমার জন্য লিখতে লিখতে আমার হাত কি এখনো কেঁপে ওঠার কথা?
অথবা আমার দৃষ্টিটা কি একটু ঝাপসা হবার কথা?
আমার আর আগের মত কান্না পায় না
আমার আর তোমার জন্য রক্ত ঝরেনা
আমার এক ফোঁটা রক্ত,
তোমার মানসিক ভারসাম্যহীন ন’পুংষক
চিন্তাধারার চেয়ে অনেক দামী

তুমি বলেছিলে মানুষ বদলায়
আমিও বদলে গেছি, বুকের মাঝে জাপটে ধরে থাকা…হারিয়ে গেছে

বজ্রপাত হোক আর না হোক………

তুমি বলেছিলে মানুষ বদলায়
আমিও বদলে গেছি, বুকের মাঝে জাপটে ধরে থাকা…হারিয়ে গেছ.

তুমি বলেছিলে মানুষ বদলায়
আমিও বদলে গেছি, বুকের মাঝে জাপটে ধরে থাকা…হারিয়ে গেছে।

শেষ গান

যাচ্ছে আমার সব হারিয়ে একটু একটু করে
পলক ফেলতে ভয় লাগে আজ আমার এই চোখে,
তোমায় নিয়ে নতুন একটি গান লিখতে বসে
তাকিয়ে দেখি নেই যে তুমি গান টা লেখার শেষে।

যাচ্ছে আমার সব মিলিয়ে একটু একটু করে
রাতের ঘুম গানের গলা যাচ্ছে যেন মরে।
হাসতে গেলে এখন আমার পানি আসে চোখে
কখন জানি হঠাৎ আবার চোখের রক্ত ঝরে।

সৃষ্টি হবে অন্যরকম একটি গল্প আজ
আলোর নিচে সাজবো আমি অন্ধকারের সাজ,
দেখো আবার আসেনা যেন তোমার চোখে পানি
হঠাৎ করেই দেখবে তুমি হারিয়ে গেছি আমি।

তাই এখন চাঁদের ভেতর চঁন্দ্রবিন্দু আঁকি,
নীল চোখে সুঁই ফুটিয়ে লাল ছবি আঁকি।
চিন্তাগুলো আমার কেমন যেন এলোমেলো
সুত্রগুলো উল্টো করে ভুল অঙ্ক কষি।

যখন আমি থাকবনা আর যেও আমায় ভুলে,
হয়তো ঘড়ির কাঁটার মত আসব আমি ফিরে।
জানি বলছি আবোল তাবোল উল্টো পাল্টা কথা
তবুও কেনো যাচ্ছে না যে মনের চাপা ব্যথা।

সৃষ্টি হবে অন্যরকম একটি গল্প আজ
আলোর নিচে সাজবো আমি অন্ধকারের সাজ,
দেখো আবার আসেনা যেন তোমার চোখে পানি
হঠাৎ করেই দেখবে তুমি হারিয়ে গেছি আমি।
হারিয়ে গেছি আমি…

আমার এই শেষ গানটার শেষ অধ্যায়
যদি বলি একটি কথা পারবে কি শুনতে,
আমার এপিটাফের গায়ে যেন থাকে লেখা
গেত গান এই মানুষটা খুব মন্দ না।

হারিয়ে গেছি আমি…

সুর্য

নীল আকাশের নিচে পাখির কলতানে
সবুজ ঘাসে হাঁটছি গীটারটা নিয়ে
মাথার ভেতর নতুন একটা সুর ঘুরে
হঠাৎ করেই আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামে!
ফুলের সুবাস বাতাসে ভেসে আসে
এত সুখের মাঝেও কেন চোখে পানি আসে
সকালের এই মিষ্টি আলো কি যে ভাল লাগে
হঠাৎ করেই আমার ঘুমটা যায় ভেঙ্গে!

চারিদিকে আঁধার অশ্লীল কালো
স্রষ্টার কাছে মিনতি দেখাও একটু আলো,
দেহের এই অসুখটা বাড়ছে প্রতিদিনি
জীবনের শেষ ঘন্টাটা যে এখনো বাজতে বাকি!

আমার যেন মৃত্যু হয় সুর্য উঠার আগে
সুর্যর কাছে আমার অনেক ঋন আছে,
তাই আমি দেখতে চাই না ঐ সুর্যটাকে
আমার যেন মৃত্যু হয় সুর্য উঠার আগে!

দেহের পচনটা বাড়ছে একটু একটু করে
অসীম এই যন্ত্রণা মোরে বোবা করে রাখে
সুখ নামের স্বপ্নটা যে অচেনা লাগে
চলে গেছে কোথায় আমায় একা ফেলে,
দেখতে আর ভাল লাগে না ঐ নীল আকাশটা
সারা রাত তাকিয়ে দেখি ঘরের সিলিঙটা
ইচ্ছে ছিল পৃথিবীটা বদলে দেবার
ইচ্ছে ছিল গীটার হাতে যুদ্ধে যাবার।

চারিদিকে আঁধার অশ্লীল কালো
স্রষ্ঠার কাছে মিনতি দেখাও একটু আলো,
দেহের এই অসুখটা বাড়ছে প্রতিদিনি
জীবনের শেষ ঘন্টাটা যে এখনো বাজতে বাকি!

আমার যেন মৃত্যু হয় সুর্য উঠার আগে
সুর্যর কাছে আমার অনেক ঋন আছে,
তাই আমি দেখতে চাই না ঐ সুর্যটাকে
আমার যেন মৃত্যু হয় সুর্য উঠার আগে!

চারিদিকে আঁধার অশ্লীল কালো
স্রষ্ঠার কাছে মিনতি দেখাও একটু আলো,
দেহের এই অসুখটা বাড়ছে প্রতিদিনি
জীবনের শেষ ঘন্টাটা যে এখনো বাজতে বাকি!

আমার যেন মৃত্যু হয় সুর্য উঠার আগে
সুর্যর কাছে আমার অনেক ঋন আছে,
তাই আমি দেখতে চাই না ঐ সুর্যটাকে
আমার যেন মৃত্যু হয় সুর্য উঠার আগে!

আমার যেন মৃত্যু হয় সুর্য উঠার আগে
সুর্যর কাছে আমার অনেক ঋন আছে,
তাই আমি দেখতে চাই না ঐ সুর্যটাকে
আমার যেন মৃত্যু হয় সুর্য উঠার আগে!

অসমাপ্ত

তাকিয়ে থাকা শুন্য দৃষ্টিতে
দেয়ালের অপার্থিব আলোর ভীড়ে,
ওপাশের আলো ফাটল ধরায়
সব যুক্তিতে সব বিশ্বাসে।

আমার শিরায় শিরায় অন্ধকার
শেকড় গড়ে পাঁজরে,
আমার অলস শরীর ক্লান্তি হারায়
অধিকার নিয়ে।

সব আলো নিভিয়ে দাও
ঘুমাবো আমি আলোর শেষে,
জয় হোক ক্লান্তির
জয় হোক অবসাদের।

পৃথিবীর সব ঘুম
আমার চোখের পাতায়,
জড়ো হয় কিসের আশায়
জানা নেই আমার।

আমার শিরায় শিরায় অন্ধকার
শেকড় গড়ে পাঁজরে,
আমার অলস শরীর ক্লান্তি হারায়
অধিকার নিয়ে।

সব আলো নিভিয়ে দাও
ঘুমাবো আমি আলোর শেষে,
জয় হোক ক্লান্তির
জয় হোক অবসাদের।

তবুও আঁধার শেষে
দেখা দেয় আলো,
অনেক সম্ভাবনার মাঝে
খেলা করে রোদ।

আনমনে

যখন চাঁদ ঘুমিয়ে পড়ে
আঁধার আকাশটাকে ফেলে,
শুধু আমি জেগে থাকি
তোমার ছবি বুকে নিয়ে।

জেগে থাকি আকাশের তারায়
মিলিয়ে যায় সব যেন কোথায়,
জানি এই রাত শেষে
ফিরবে না তুমি আর।

তবুও কেন যে আসে
মনের মাঝে তোমার ছবি,
কল্পনাতে কেন যে
তোমার হাসি শুনি।

মেঘের দেশে কি এখনো তুমি
হারাও আনমনে?
কবিতা কি লেখো
এখনো আমায় ভেবে?

বৃষ্টি নামে যখন
তোমার ওই শরীরে,
আমার ছোঁয়া কি পাও
বৃষ্টির সাথে আনমনে?

বৃষ্টি ভেজা এই শরীরে
কান্না দেখে না কেউ আমার,
অন্ধকার এই ঘরে
ডাকি না কাউকে যে।

পড়ি না আর সেই কবিতা
দেখিনা যে আর জোছনা,
অনুভূতিহীন দেয়ালে
বন্দি যেন একা।

তবুও কেন যে আসে
মনের মাঝে তোমার ছবি,
কল্পনাতে কেন যে
তোমার হাসি শুনি।

মেঘের দেশে কি এখনো
তুমি হারাও আনমনে?
কবিতা কি লেখো
এখনো আমায় ভেবে?

বৃষ্টি নামে যখন
তোমার ওই শরীরে,
আমার ছোঁয়া পাও কি
বৃষ্টির সাথে আনমনে?

ভেঙ্গে যাক তোমার আমার
মাঝের ওই দেয়াল টা,
এই যে দেখো দাঁড়িয়ে আমি
তোমার হাত ধরব বলে।

বয়স

বয়স তোমার শৈশব ছেলে
সুন্দর এই সকাল,
ধুলোয় তোমার বালুর রাজ্য
ভুল শব্দ গান।

পকেটে তোমার ভাংতি পয়সা
মনের ইচ্ছা লজেন্স,
তোমার জীবন মিস্টি বড়
স্বপ্ন আজব দেশ।

বয়স তোমার কৈশোর ছেলে
ছায়া তোমার বিকাল,
আকাশ তোমার ঘুড়ির রাজ্য
চেনা সুর গান।

পাঁচ তোমার ছেঁড়া টাকা
হাফ প্লেট ঝাল,
তোমার জীবন টকে ভরা
চিঠি নীল লাল।

তোমার সাথে বালুর রাজ্য
তোমার সাথেই ঘুড়ি,
তোমার সাথে চেনা সুর
তোমার সাথেই চিঠি,
তোমার কাছেই গল্প বলা
তোমার কাছেই শুনি,
তোমায় নিয়ে লেখা গানে
ফিরে ফিরে আসি।

বয়স তোমার যৌবন ছেলে
গভীর তোমার রাত,
অচেনা তোমার রাজ্য
অর্থহীন গান।

দু হাত তোমার ভীষণ খালি
নোনতা বিস্কুট চা,
তোমার জীবন এলোমেলো
মিথ্যা আশায় গড়া।

তোমার সাথেই বালুর রাজ্য
তোমার সাথেই ঘুড়ি,
তোমার সাথে চেনা সুর
তোমার সাথেই চিঠি,
তোমার কাছেই গল্প বলা
তোমার কাছেই শুনি,
তোমায় নিয়ে লেখা গানে
ফিরে ফিরে আসি।

তোমায় আমি চিনি ছেলে
অনেক দিনের চেনা,
তোমার সাথে শেষ রাত্রি
আর হবে না দেখা।

কৃষ্ণচূড়া

ভ্যান গগের ছবি
ভিভালদির সুর,
অলিভার স্টোনের মুভি
আর আমার পাকা চুল।

রান্নাঘরের নিভানো চুলা,
তোমার চুলে কৃষ্ণচূড়া।

লা লা লা লা

সাদা রং এর নতুন গাড়ি,
একটি পোড়া বাড়ি।

এশারের ছবি
মোৎসার্টের সুর।
ত্যারেন্তিনোর মুভি
আর আমার পাকা চুল।

আমার কাঁধে হালকা ঝোলা,
তোমার চুলে কৃষ্ণচূড়া।

লা লা লা লা
লা লা লা লা

অদ্ভূত কিছু নিয়ম
অদ্ভুত কিছু জীবন,
তবুও নতুন এক জীবন্ত সুরে
দুঃখ থেকে বহুদূরে,
অতৃপ্ত স্বত্তা খুঁজে ফেরে
সকল উন্মাদনা ছেড়ে।

লা লা লা লা
লা লা লা লা

লাল রং এর নতুন গাড়ি,
একটি ভাঙ্গা বাড়ি।

তবুও বৃষ্টি ঝরা বিকেল শেষে
সন্ধ্যে নামার একটু আগে,
তৃষ্ণার্ত মন খুঁজে ফেরে
সকল বাঁধা ভেঙ্গে দিয়ে।

লা লা লা লা

ভ্যান গগের ছবি
ভিভালদির সুর,
অলিভার স্টোনের মুভি
আর আমার পাকা চুল।

রান্নাঘরের নিভানো চুলা,
তোমার চুলে কৃষ্ণচূড়া।

লা লা লা লা

ফিটাসের কান্না

বেঁচে ছিলাম জন্মাবার স্বপ্ন নিয়ে
মিশে ছিলাম তোমার রক্তস্রোতে,
আলোর পথে হোঁচট খেয়ে দেখি
হারিয়ে গেছি আধাঁরে
কালো জলে…..কালো জলে।

বেঁচে ছিলাম জন্মাবার স্বপ্ন নিয়ে
মিশে ছিলাম তোমার রক্তস্রোতে,
আলোর পথে হোঁচট খেয়ে দেখি
হারিয়ে গেছি আধাঁরে
কালো জলে…..কালো জলে।

ঝরবো আমি নোনা জলে
বৃষ্টি হয়ে তোমার গোপন অবসরে,
অলস চোখে ভাঙ্গবো আমি
ভোরের ঐ শিশির বিন্দু
কষ্টে গড়া সূর্যের আর্তনাদে….আর্তনাদে।

কষ্টের এই নষ্ট সময়ে
ছায়ার মাঝে বন্দী এ হৃদয়,
মায়ার শূন্যতায় লুকাবো তোমায়
কষ্টে গড়া আলোর আর্তনাদে….আর্তনাদে।

ঝরবো আমি নোনা জলে
বৃষ্টি হয়ে তোমার গোপন অবসরে,
অলস চোখে ভাঙ্গবো আমি
ভোরের ঐ শিশির বিন্দু
কষ্টে গড়া সূর্যের আর্তনাদে….আর্তনাদে।

ভালোবাসার তীব্র জোসনা দিয়ে
পারোনি তুমি মমতায় বাঁধতে,
নিষ্পাপ আমার প্রস্থান লিখা থাকবে না
সাজানো কোন এপিটাফে…………

তুমি আসলে আবার অন্য রূপে

তুমি আসলে আবার অন্য রূপে,
তুমি বাসলে ভালো আমারে।
তুমি আসলে আবার অন্য রূপে,
তুমি বাসলে ভালো আমারে

আমার এ গান শুধু তোমায় নিয়ে,
আমার এ মন শুধু তোমায় ভাবে।
তবুও কেন তুমি কাঁদো,
এইতো আমি চেয়ে দেখ।

তুমি নিলে আমায় আপন করে,
এক রাশ ভালোবাসা বুকে নিয়ে।
তুমি নিলে আমায় আপন করে,
এক রাশ ভালোবাসা বুকে নিয়ে।

আমার এ গান শুধু তোমায় নিয়ে,
আমার এ মন শুধু তোমায় ভাবে।
তবুও কেন তুমি কাঁদো,
এইতো আমি চেয়ে দেখ।

আমিতো তোমারই জন্য
গেয়ে যাব গান,
আমার এই হৃদয়ের মাঝে
শুধু তোমার নাম।

আমিতো তোমারই জন্য
গেয়ে যাব গান,
আমার এই হৃদয়ের মাঝে
শুধু তোমার নাম।

আমার এ গান শুধু তোমায় নিয়ে,
আমার এ মন শুধু তোমায় ভাবে।
তবুও কেন তুমি কাঁদো,
এইতো আমি চেয়ে দেখ।

তুমি আসলে আবার অন্য রূপে,
তুমি বাসলে ভালো আমারে।

একটা গান দাও

আমাকে একটা গান দাও
যে গানে থাকবে তুমি একা,
প্রকৃতির মাঝে বসে বসে তোমার সব ভাবনা।

আমি আসব গানের দ্বিতীয় প্যারাতে
নদীর ধার দিয়ে,
পাগলা হাওয়া আছড়ে পড়বে তোমার চুলে
মুচকি হেসে আলতো ভাবে।

একটা গান দাও
শুধু তোমার আমার
যা চলবে সারা জীবন,
একটা গান দাও
যেথা পিয়ানো গিটার বাজবে
শুধু সেই গানের তালে।

আমাকে একটা গান দাও
যে গানে থাকবে তুমি,
সুরটা হবে নদীর মত
আঁকাবাকা আর নীল।

আমি আসব গানের দ্বিতীয় প্যারাতে
নদীর ধার দিয়ে,
জোসনার আলো পড়বে তোমার চোখে
যেথা যাব আমি হারিয়ে।

একটা গান দাও
শুধু তোমার আমার
যা চলবে সারা জীবন,
একটা গান দাও
যেথা পিয়ানো গিটার বাজবে
শুধু সেই গানের তালে।

একটা গান দাও
শুধু তোমার আমার
যা চলবে সারা জীবন,
একটা গান দাও
যেথা পিয়ানো গিটার বাজবে
শুধু সেই গানের তালে।

একটা গান দাও
শুধু তোমার আমার
যা চলবে সারা জীবন,
একটা গান দাও
যেথা পিয়ানো গিটার বাজবে
শুধু সেই গানের তালে।

একটা গান দাও
শুধু তোমার আমার
যা চলবে সারা জীবন,
একটা গান দাও
যেথা পিয়ানো গিটার বাজবে
শুধু সেই গানের তালে।

যদি কোনদিন

যদি কোন দিন হঠাৎ করে পড়ে মনে
আমার লেখা গানগুলো যা ছিল তোমার জন্যে,
যদি ভুলের বশে শুনতে ইচ্ছে করে
আমার গাওয়া গানগুলো যা ছিল তোমায় নিয়ে।

নিঝুম রাতে যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে
তুমি মনের ভেতর শুনো গান চুপটি করে,
কেউ জানবে না যে ঘুমন্ত শহরে
তুমি ভাবছো বসে আমার কথা প্রতিটি মূর্হুতে।

আকশে তারা হয়ে দেব তোমায় আলো
যখন চারিদিক অমাবস্যায় কালো,
যদি মনের দুচোখ বেয়ে আসে চোখের জল
মুছে দেব শুধু স্মৃতি হয়ে মনের কষ্ট সব।

নিঝুম রাতে যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে
তুমি মনের ভেতর শুনো গান চুপটি করে,
কোন এক সকালে কোন দূরদেশে
তুমি দেখবে আমার পায়ের চিহ্ন ঐ শুভ্র তুষারে।

আসবো ফিরে
তোমার কাছে,
চোখের ঐ জল
মুছে দিতে।

নিঝুম রাতে যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে
তুমি মনের ভেতর শুনো গান চুপটি করে,
কেউ জানবে না যে ঘুমন্ত শহরে
তুমি ভাবছো বসে আমার কথা প্রতিটি মূর্হুতে।

আসবো ফিরে
তোমার কাছে,
চোখের ঐ জল
মুছে দিতে।

আসবো ফিরে
তোমার কাছে,
চোখের ঐ জল
মুছে দিতে।

আকাশের পানে চেয়ে

আকাশের পানে চেয়ে দেখো
কত সুর ভেসে বেড়ায়,
তবুও তোমার গানে কেন
একটু সুর ফিরে তাড়ায়।

ছোট্টবেলার হারানো দিনগুলো মনে পরে,
তোমার সেই ভালোবাসা হারিয়ে গেছে কোন গগনে?

কেন সেই প্রেমেরা আসে না?
কেন তার দেখা তুমি পাও না?

ও ও ও

রাতের পাখিরা বলে ওঠে,
যাবে কি সেই স্বপ্নপুরীতে?
রাতের পাখিরা বলে ওঠে,
যাবে কি সেই স্বপ্নপুরীতে?
তোমায় এ গান শুনিয়ে নতুন কোন এক সুরে।

কেন সে ফিরে আসে না?
কেন তার দেখা তুমি পাও না?

ও ও ও

ভোরের আলোতে
একটি পাখির ডাকে,
যদি চোখ মেলে চাও
মনের গহিনে।

তবে শুনতে পাও সেই সুর!
তবে শুনতে পাও সেই সুর!

তারার পানে

তারার পানে চেয়ে দেখো আজ,
শত দুঃখ আর অভিশাপ,
হারিয়ে গেছে কোন আঁধারে!
সুখের স্বপ্নগুলো ফিরে এসেছে,
প্রভাতের এই সুরে,
চেয়ে দেখো নীলাকাশে,
রংধনু চেয়ে আছে তোমার পানে,
হাতছানি দিয়ে ডাকছে তোমাকে!

সুখস্মৃতি ভুলে কেনো?
ফিরে যাও দুখের শৃঙ্খলে?
শান্ত নদী বলে না কি তোমায়?
ফিরে এসো এই নিসর্গ উত্সবে।

আমার এই গান নিয়ে যাবে,
তোমায় এক নতুন সুরে।
নীলাকাশের সাদা মেঘের মাঝে,
হারিয়ে যাবে তোমার সব দুঃখ যে!

তোমাআআআআআআর এই হৃদয় কাঁদে কেনো শুধু শুধু
তোমাআআআআআআর এই হৃদয় কাঁদে কেনো শুধু শুধু

ওই পাখির গানে শোনো সুখেরই ছোঁয়া
দেখো কেটে গেছে রাত আর আঁধারেরই ছায়া!

তোমাআআআআআআর এই হৃদয় কাঁদে কেনো শুধু শুধু
তোমাআআআআআআর এই হৃদয় কাঁদে কেনো শুধু শুধু
তোমাআআআআআআর এই হৃদয় কাঁদে কেনো শুধু শুধু
তোমাআআআআআআর এই হৃদয় কাঁদে কেনো শুধু শুধু

তেপান্তরের মাঠ

তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে অনেক দূরে,
বসে আছি আমি একাকী তোমায় ছেড়ে।
মনে পরে শুধু তোমারই কথা,
তাই গাইছি আমি এ গান তোমায় নিয়ে!

মনে পরে সেই মিষ্টি সকাল মনে জাগে মোর আশা,
আসবে তুমি আমার কাছে নিয়ে ভালোবাসা!
মনে পরে যায় তোমার হাতের স্নিগ্ধ সেই স্পর্শ,
মনে পরে তুমি যে আমায় কত ভালোবাসো!

তাই আমি গাইছি এ গান তোমায় নিয়ে,
তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে নীল জোস্নাতে!

রাত যে শেষ হয়ে আসে তোমার কথা ভেবে,
মনের এই অস্থিরতা দূর হয় না যে।
ভাবছি আমি তোমার কথা ভাবছি একা বসে,
ভাবছি আমি কখন পাবো তোমায় খুব কাছে।

তাই আমি গাইছি এ গান তোমায় নিয়ে,
তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে নীল জোস্নাতে!

বুক ভরা ভালোবাসা

যখন চারিদিকে নেমে আসে আঁধার,
চলে এসো তুমি ভুলে মেঘের দুয়ার।
কেউ জানবে না তোমার এই ফিরে আসা,
শুধু আমি দাঁড়িয়ে থাকবো নিয়ে বুক ভরা ভালোবাসা!

যখন সুরের মাঝে আমি তোমায় খুঁজি,
কোন এক অজানা ভুবনে হারিয়ে যাই আমি।
কেউ বোঝে না আমার এই সুরের ভাসা,
শুধু আমি গেয়ে যাই নিয়ে বুকভরা ভালোবাসা।

আমার গানের ভাষায় যে শুধু তোমারই ছায়া,
আমার বুকের মাঝে যে শুধু তোমারই কথা।
মন শুধু বলে যায় তোমারই কথা যে,
হয়তোবা তুমি আমার এই গান শুনবে এ এ এ এ এ

কেউ জানবে না তোমার এই ফিরে আসা,
শুধু আমি দাঁড়িয়ে থাকবো নিয়ে বুক ভরা ভালোবাসা!

কেউ জানবে না তোমার এই ফিরে আসা,
শুধু আমি দাঁড়িয়ে থাকবো নিয়ে বুক ভরা ভালোবাসা!

মেঘের গান

যখন ওই নীলাকাশটা ঘুমিয়ে পরে,
তখন তোমার পথ চলা শুরু হয় যে!
হেঁটে যাও তুমি মেঘের পথ ধরে,
পুরোনো সেই স্মৃতি ফিরে পেতে।

ছোট্টবেলায় মেঘের সাথে তুমি,
সবুজ বন আজ কেন মরুভূমি!
হয়তোবা কেউ ডাকে তোমায় পেছন থেকে,
তোমার সব ব্যাথাগুলো মুছে দিতে!

সেতো কেঁদে যাবে বুকে নিয়ে শোক,
তাই বলে অশ্রুসিক্ত কেন তোমার চোখ!
চারিদিকে আঁধার ঘনিয়ে সে আসবে সেথায়,
তাই বলে কেঁদো না তুমি তার কথায়!

যখন ওই নীলাকাশটা ঘুমিয়ে পরে,
তখন তোমার পথ চলা শুরু হয় যে!
হেঁটে যাও তুমি মেঘের পথ ধরে,
পুরোনো সেই স্মৃতি ফিরে পেতে।

সেতো কেঁদে যাবে বুকে নিয়ে শোক,
তাই বলে অশ্রুসিক্ত কেন তোমার চোখ!
তোমার মনে তো এখন মেঘের টান,
তাই তো আমি গেয়ে যাই মেঘেরই গান!
মেঘেরই গান!
মেঘেরই গান!
মেঘেরই গান!
মেঘেরই গান!
মেঘেরই গান!

ইচ্ছে করে

অরুনোদয়ের অগ্নিসাক্ষী তুমি-
নরম ঘাসের পেলবতা,
সদ্য ফোঁটা গোলাপ কলির মতো-
কোমল তোমার সজীবতা!
তুমি যেন মোমের মূর্তি হয়ে,
রয়েছ আমার হৃদয়ে।
ছুঁয়ে দেখতেও দ্বিধা হয় তোমায়,
যদি ভেঙ্গে যাও সেই ভয়ে এ এ এ এ এ এ!

ইচ্ছে করে শুধু দেখি তোমায় দুচোখ ভরে,
রংধনুর সাতটি রঙে সাজিয়ে নেই আপন করে!
শুধু দূর থেকে, দূর থেকে!

সাগরের নীল জলের মতো প্রশান্ত ওই মুখচ্ছবি,
যেন পটে আঁকা বিমূর্ত তুমি অনন্যা প্রিয়দর্শিনী ই ই ই ই ই ই ই ই ই !

ইচ্ছে করে শুধু দেখি তোমায় দুচোখ ভরে,
রংধনুর সাতটি রঙে সাজিয়ে নেই আপন করে!
শুধু দূর থেকে, দূর থেকে!

প্রতিমার ছবি হয়ে তুমি অধরা আমার কাছে,
দেবী হয়ে এসেছ তুমি কেড়েছ আমার হৃদয়টাকে এ এ এ এ এ এ!

ইচ্ছে করে শুধু দেখি তোমায় দুচোখ ভরে,
রংধনুর সাতটি রঙে সাজিয়ে নেই আপন করে!
শুধু দূর থেকে, দূর থেকে!

দুঃসময়ের সাধ্য কি

চলে গেলে তুমি মিথ্যে বলে-
আমায় একা ফেলে।
ভেবেছিলে আমি ধ্বংস হবো-
কষ্ট আর অভিমানে।
চলে গেলে বড় অসময়ে-
ভেবে নিঃশেষ আমাকে।
সুসময় তখনো আসতে বাকি,
তা তুমি জানবে কিভাবে?

কষ্টের সাধ্য কি আমার অশ্রু ঝরাবে?
দুঃসময়ের সাধ্য কি আমায় কষ্টে ভাসাবে?
আমি, শক্ত হাতে জীবন তরীর ওই হাল ধরেছি,
দেখো, তোমাকে ছাড়াও একাকী পথ ধরে এগিয়ে চলেছি!

দুঃসময়ের ঘন্টাধ্বনি শুনে আর্তনাদ করে কেঁদেছি,
আমি অনুনয় বুকে নিয়ে আর শুধু চোখ মেলে তোমাকেই পাশে চেয়েছি।
সুসময়ের স্বপ্ন নিয়ে তুমি ডানা মেলেছিলে দূর আকাশে।

কষ্টের সাধ্য কি আমার অশ্রু ঝরাবে?
দুঃসময়ের সাধ্য কি আমায় কষ্টে ভাসাবে?
আমি, শক্ত হাতে জীবন তরীর ওই হাল ধরেছি,
দেখো, তোমাকে ছাড়াও একাকী পথ ধরে এগিয়ে চলেছি!

কষ্টের সাধ্য কি আমার অশ্রু ঝরাবে?
দুঃসময়ের সাধ্য কি আমায় কষ্টে ভাসাবে?
আমি, শক্ত হাতে জীবন তরীর ওই হাল ধরেছি,
দেখো, তোমাকে ছাড়াও একাকী পথ ধরে এগিয়ে চলেছি!

গান গেয়ে যায় একটি ছেলে

কোন এক নিঝুম রাতে,
ঝাউ বনে চাঁদের আলোতে।
গান গেয়ে যায় একটি ছেলে,
একরাশ বেদনা বুকে নিয়ে।
তার সেই গানতো কেউ শোনেনা,
হতাশার কথাতো কেউ জানেনা!
তবুও তার আশার প্রদীপ তো নেভে না!

যদি ফিরে পায় সেই হারানো দিন!

কোন এক নিঝুম রাতে,
জীবনের অপর এক প্রান্তে।
বসে থাকে একটি মেয়ে,
ছেলেটির গান বুকে নিয়ে।
ফিরে যেতে চায় সে সেই জগতে,
চাঁদের আলোর সেই ঝাউ বনে,
ছেলেটির সব দুঃখ মুছে দিতে!

এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়!

মনে পরে কোন এক স্বর্গদিনে,
ভাবনার ডানা মেলে দিয়ে,
ভেবেছিলো সাদা মেঘের ভেলায়,
আনমনে যাবে হারিয়ে!

হঠাত কি হয়ে গেলো সেই মেয়েটির,
শুকিয়ে গেলো ভোরের শিশির!
ছেলেটি পেলনা কোন উপায়,
মরনের কাছে সে যে অসহায়!

কোন এক নিঝুম রাতে,
দুটি হৃদয় দুই ভুবনে!
অস্থির মন শুধু কেঁদে ওঠে,
কোন উপায় না পেয়ে!

আমার প্রতিচ্ছবি

মুখটা তুলে আকাশটাতে
দেখ আরেকবার,
তোমার সাথে আছি আমি
যে চিরকাল।
জোছনার আলো যখন
তোমার গায়ে পড়ে,
আমি তখন থাকি তোমারই
পাশে পাশে।

মনটা খারাপ করে যখন
তুমি একা থাকো,
ভেবো আমি শোনাই তোমায়
মজার কোন গল্প।
চোখের পানি মুছে ফেলে
ভেবো একটুখন,
তোমার মাথায় হাতটা বুলাই
যখন তখন।

রাতের আকাশ ভরা তারা
হয়তো বা চলে যাবে,
থাকবো হয়ে আমি শুকতারা।
শীতের সকাল গাছের পাতা
হয়তো বা ঝরে যাবে,
থাকবো হয়ে আমি নীল আকাশ।

দুপুর বেলায় কবিতার
বইটা পড়তে বসে,
চোখের দৃষ্টি যখন তোমার
ঝাপসা হয়ে ওঠে।
ভেবো আমি পাশেই আছি
তোমার পানে চেয়ে,
কবিতাটায় সুর বসাচ্ছি
গানের মত করে।

ভোরের আলোয় পাখির ডাকে
ঘুমটা ভাঙে যখন,
বাগানটাতে হাঁটার সময়
আমায় ভেবো তখন।
ঘাসের মাঝে শিশির কনায়
তাকিয়ে দেখ তুমি,
আছে সেথায় তোমার সাথে
আমার প্রতিচ্ছবি।

রাতের আকাশ ভরা তারা
হয়তো বা চলে যাবে,
থাকবো হয়ে আমি শুকতারা।
শীতের সকাল গাছের পাতা
হয়তো বা ঝরে যাবে,
থাকবো হয়ে আমি নীল আকাশ।

নীল আকাশ।

প্রবাস থেকে

একটি ছেলে রাতের ঘুমটা ফেলে
করছে স্মৃতি রোমন্থন,
বুকের মাঝে তার হাহাকার
আর চাপা ক্রন্দন।

কতদিন দেখিনা তোমায়
কতদিন দেখিনা,
কতদিন দেখিনা তোমায়
আমার বাংলাদেশ,
কতদিন দেখিনা।

একটি মেয়ে কোন এক দুরদেশে
যাচ্ছে সকালে অফিসে,
হয়না যে তার আর ছাদে বৃষ্টিতে ভেজা
খাওয়া হয় না যে আমের আচার।

কতদিন দেখিনা তোমায়
কতদিন দেখিনা,
কতদিন দেখিনা তোমায়
আমার বাংলাদেশ,
কতদিন দেখিনা।

একজন মানুষ ফিরছে বাড়ি
সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি,
শোনে না যেন সে অনন্তকাল
ভোরের সেই আজানের ধ্বনি।

মনে পরে তার গাঁয়েরই কথা
শীতের রাতে আগুন পোহানো,
ভোরবেলায় খেজুর গাছে
বন্ধুরা মিলে রসচুরি করার আনন্দ।

কতদিন দেখিনা তোমায়
কতদিন দেখিনা,
কতদিন দেখিনা তোমায়
আমার বাংলাদেশ,
কতদিন দেখিনা।

নির্বোধ

নিঝুম রাতে ছাদের কোনে
বসে থাকি আমি,
মনের মাঝে ঘুরতে থাকে
সুখের সব স্মৃতি।

আকাশ ভেঙ্গে পড়ছে ছাদে
মিষ্টি চাঁদের আলো,
জোছনাটা দেখলে যে
সবই লাগে ভালো।

হে নির্বোধ তুমি যে এখনো একটি শিশু,
ছেড়া কাঁথায় ক্ষুধার্ত শরীরে ভালো লাগে না কিছু।
ভরা পেটে নরম বিছানায় স্বপ্ন দেখো তুমি,
পূর্ণিমার চাঁদটা আমার কাছে ঝলসানো এক রুটি।

বুকের মাঝে লুকিয়ে আছে
আমার ভালোবাসা,
ছড়িয়ে দেবো আকাশটাতে
নতুন এক আশায়।

কোন একদিন আমার সামনে
এসে দাঁড়াবে সে,
বলবে সে ভালোবাসি
মুচকি হেসে।

তোমার কথা শুনে আমার যে হাসি পায়,
কি দেখেছো তুমি নির্বোধ এই ভালোবাসায়।
ভালোবাসা যে আসলে প্লাস্টিকের ফুল,
বর্ণ আছে গন্ধ নেই করো না এ ভুল।

আমার আছে সুরের জগৎ
হারাই আমি সেথায়,
নতুন গান নতুন সুর
আমার গানের খাতায়।

সুর দিয়েই আমার জগৎ
আমি ভরিয়ে রাখি,
দুঃখ আর অস্থিরতা
দুর করে ফেলি।

সুরের জগৎ নিয়ে অহংকার নির্বোধ তুমি,
এ জগতেও আছে ভন্ডামি আছে রাজনীতি।
মনের মাঝে অনেক কথা আমি বলতে পারিনি,
নেতাদের এই নোংরামিতে হারিয়ে গেছি আমি।

তোমার এই হতাশা
ভুলে গিয়ে অন্যভাবে,
চল দেখি এই পৃথিবীটাকে।

তোমায় দেখে মনের মাঝে
আজ আমার প্রশ্ন জাগে,
তবে কি সবই ভুল।

নির্বোধ….

স্বপ্নগুলো তোমার মতো

তুমি মানে তোমার চলে যাওয়া
তোমার জন্য সব ভুলে থাকা
জীবন মানে বাঁচার অভিনয়
মৃত্যু মানে তোমায় না পাবার ভয়

তোমার আশা কতটা কাছে টানে
আমার ছায়া যতটা আঁধার আনে
কাঁচের দেয়াল ভাঙার মত
তোমায় ভাঙি ইচ্ছে মত
আমার কেন ভালো লাগে না
কোন কিছু তোমার মত

যখন তুমি একা থাকো
আগুন জ্বলে আলোর মতন
নিজের কাছেই লুকিয়ে রাখি
স্বপ্নগুলো তোমার মত

আমার শরীর জুড়ে বৃষ্টি নামে
অভিমানের নদীর তীরে
শুধু তোমায় বলতে ভালবাসি
আমি বারেবার আসবো ফিরে

আমার শরীর জুড়ে বৃষ্টি নামে
অভিমানের নদীর তীরে
শুধু তোমায় বলতে ভালবাসি
আমি বারেবার আসবো ফিরে

গুটি দ্যাফাইনাল

অন্ধকারের শেষে আলো দেখার আশায়
চোখ বুজে স্বপ্ন দেখার চেষ্টা কি তোমার?
মাঝরাতে ঘুমের মাঝে দুঃস্বপ্নের চিৎকার,
লাগছে কেমন হতে আমার সাফল্যের শিকার।
চেয়েছিলে আঁকতে আল্পনা আমার রক্তে,
ছুঁতে ওই নীলাকাশ আমায় ছুঁড়ে ফেলে…অন্ধকারে।

ভেবেছিলে সবকিছু হবে সহজ,
গুটির চালে সবাইকে করবে বশ।
তোমার অস্তিত্ব আমার পায়ের নীচে,
খেলার শেষটা হবে আজ এখানে।

তোমার শেষ গুটির চালটা হয়ে গেলো কেমন যেন
স্বপ্ন আর বাস্তবতার মাঝে কি মস্ত ফাটল?
তোমার যত অভিনয় আর সস্তা কান্না
শুনিও তোমার বিবেকটাকে সামনে ধরে আয়না।

চেয়েছিলে আঁকতে আল্পনা আমার রক্তে,
ছুঁতে ওই নীলাকাশ আমায় ছুঁড়ে ফেলে…অন্ধকারে।

ভেবেছিলে সবকিছু হবে সহজ,
গুটির চালে সবাইকে করবে বশ।
তোমার অস্তিত্ব আমার পায়ের নীচে,
খেলার শেষটা হবে আজ এখানে।

ভেবেছিলে সবকিছু হবে সহজ,
গুটির চালে সবাইকে করবে বশ।
তোমার অস্তিত্ব আমার পায়ের নীচে,
খেলার শেষটা হবে আজ এখানে।

গুটি ফ্রম হেল

আবার ডাকছি তোমায় আমি
শুনছ কি তুমি?
মাঝরাতের এই দুঃস্বপ্নগুলো কেমন বলো শুনি,
অসুস্থ তোমার মগজ হাসি আসে না আগের মতো।
নিজের জাল ঘিরে আছে,
কাউকে না বলে এই তোমার কাছে।
এযে তোমারই চালা গুটি,
তোমাকেই খোঁজে আজ তোমারই সৃষ্টি।

পিছন ফিরে দেখো আসছে কি
চিনতে তুমি পারো কি?
ফোকলা দাঁতে তোমার হাসি,
আজ কেন মলিন।
মাঝরাতের এই নীল নকশা ,
কি এখনও বোঝনি,
তাড়া করছে আজ তোমায়-

গুটি ফ্রম হেল!!

আবার ডাকছি তোমায় আমি
শুনছ কি তুমি?
মাঝরাতের এই দুঃস্বপ্নগুলো কেমন বলো শুনি,
অসুস্থ তোমার মগজ হাসি আসে না আগের মতো।
নিজের জাল ঘিরে আছে,
কাউকে না বলে এই তোমার কাছে।
এযে তোমারই চালা গুটি,
তোমাকেই খোঁজে আজ তোমারই সৃষ্টি।

পিছন ফিরে দেখো আসছে কি
চিনতে তুমি পারো কি?
ফোকলা দাঁতে তোমার হাসি,
আজ কেন মলিন।
মাঝরাতের এই নীল নকশা ,
কি এখনও বোঝনি,
তাড়া করছে আজ তোমায়-

গুটি ফ্রম হেল!!

ওওওওওওওওওওওওওওও……………….(চিৎকার)

পিছন ফিরে দেখো আসছে কি
চিনতে তুমি পারো কি?
ফোকলা দাঁতে তোমার হাসি,
আজ কেন মলিন।
মাঝরাতের এই নীল নকশা ,
কি এখনও বোঝনি,
তাড়া করছে আজ তোমায়-

গুটি ফ্রম হেল!!

গুটি-২

হেই হেই শুনছ ছেলে
যাচ্ছ কোথায় তুমি?
আকাশে যে মেঘের ঘনঘটা,
বাজ পড়বে এখনই।

পিছন ফিরে তাকিও না তুমি আর
আমি তোমার দুঃস্বপ্নে হাহাকার,
পায়ের নীচে মাটি যে নেই তোমার
পথ খুঁজছ তুমি এখন পালাবার।

হেই হেই মাথার উপর মুখটা তুলে দেখো
আকাশটা যে নেই আর সেথায় কেমন লাগছে বলো।

পিছন ফিরে তাকিও না তুমি আর
আমি তোমার দুঃস্বপ্নে হাহাকার,
পায়ের নীচে মাটি যে নেই তোমার
পথ খুঁজছ তুমি এখন পালাবার।

ভেবেছিলে সব কিছু হবে সহজ,
নীল নকশা অসুস্থ মগজ।
মরিচের ঝালটা যে যাচ্ছে না আর,
গুটি চেলে লাগে কেমন এবার।

ভেবেছিলে সব কিছু হবে সহজ,
নীল নকশা অসুস্থ মগজ।
মরিচের ঝালটা যে যাচ্ছে না আর,
গুটি চেলে লাগে কেমন এবার।

ভেবেছিলে সব কিছু হবে সহজ,
নীল নকশা অসুস্থ মগজ।
মরিচের ঝালটা যে যাচ্ছে না আর,
গুটি চেলে লাগে কেমন এবার।

গুটি

চেয়েছিলে সবকিছু ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে
ভেবেছিলে ভেঙে পরব আমি এই বাতাসে,
করেছিলে নতুন নতুন টালবাহানা
ভেবেছিলে আকাশটা তোমার শেষ সীমানা।
….হে হে আহা
চেয়েছিলে সবকিছু ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে
ভেবেছিলে ভেঙে পরব আমি এই বাতাসে,
করেছিলে নতুন নতুন টালবাহানা
ভেবেছিলে আকাশটা তোমার শেষ সীমানা।

হাসার চেষ্টা তোমার ফোকলা দাঁতে
দিনের পর যে আবার রাতই আসে,
আকাশটা যে এখন হাতের কাছে
গুটি চালতে এখন কেমন লাগে।

ভেবেছিলে ছিটকে পরব আমি বহুদূর
হারিয়ে যাবে আমার গানের কোথা সুর,
গিটারটা বাজবে না আর আগের মত
শুকোবে না আমার মনের এই ক্ষত।

হাসার চেষ্টা তোমার ফোকলা দাঁতে
দিনের পর যে আবার রাতই আসে,
আকাশটা যে এখন হাতের কাছে
গুটি চালতে এখন কেমন লাগে।

আমি তোমার প্রতি রাতের দুঃস্বপ্ন
থমকে উঠে পানির গ্লাসে হাত বাড়ানো,
গলায় তোমার আটকে যাওয়া ভয়ের কাটা
সেযে আমার গানের সুর গানের কথা।

মরিচ খেলেতো ঝাল লাগবেই
পেঁয়াজ কাটলেটতো কান্না পাবেই।
আকাশটা যে এখন পায়ের নীচে
গুটি চালতে এখন কেমন লাগে।

মরিচ খেলেতো ঝাল লাগবেই
পেঁয়াজ কাটলেটতো কান্না পাবেই।
আকাশটা যে এখন পায়ের নীচে
গুটি চালতে এখন কেমন লাগে।

মৃত্যুর শহর

অনন্তকাল মৃত্যু কেটেছে অন্ধ কূপে
পুনর্জন্ম আমার আঁধারের ছায়াতে,
রক্তের উপাসনা ত্রিভুজ ছয়ের প্রভুতে
শক্তি দাও আমাকে অশুভ গ্রহের।

সব দুঃস্বপ্ন হোক সত্য অশরীরী অনন্ত
আলোর সমাধিতে হায়েনার উল্লাস শুনো,
অতৃপ্ত আত্মাদের প্রতিধ্বনি ডাকে আমায়
সোঁদা দেয়ালের নিঃশ্বাস ঘিরে রাখে আমাকে।

সব ছায়াতে মিশে আছে আঁধার
জেগে উঠবে তুমি অমানুষের অস্পর্শ তাড়নায়,
এই সভ্যতায় মুক্তির নেশা এই ছায়ার জগতে।

স্বাগত মৃত্যুর শহরে
সঁপে দাও নষ্ট স্বত্তা
আমি পরবাস্তবতা
পূজারী হোক।

ঢেকে যাক পৃথিবী নিখিল কুয়াশায়
চারিদিকে আর্তনাদ শ্মশানের নীরবতায়,
পূর্ণ হোক তোমাদের এইসব বিদ্বেষ হিংস্রতা
আড়ালের এই দেশটাতে আঁধারের দেবতা।

স্বাগত মৃত্যুর শহরে
সঁপে দাও নষ্ট স্বত্তা
আমি পরবাস্তবতা
পূজারী হোক।

স্বাগত মৃত্যুর শহরে
সঁপে দাও নষ্ট স্বত্তা
আমি পরবাস্তবতা
পূজারী হোক।

এপিটাফ

বৃষ্টি নেমেছে আজ আকাশ ভেঙ্গে
হাঁটছি আমি মেঠো পথে,
মনের ক্যানভাসে ভাসছে তোমার ছবি
বহুদিন তোমায় দেখি না যে।

তোমায় নিয়ে কত স্বপ্ন আজ কোথায় হারায়
পুরোনো গানটার সুর আজ মোরে কাঁদায়।

তুমি তো দিয়েছিলে মোরে কৃষ্ণচূড়া ফুল
আমি তো বসেছিলাম নিয়ে শুধু গানের সুর,
তুমি তো দিয়েছিলে মোরে কৃষ্ণচূড়া ফুল
চলে গেছ কোথায় আমায় ফেলে বহুদূর…….বহুদূর।

সাদা কালো এ জীবনের মাঝে
রঙ্গিন ছিলে তুমি শুধু,
তোমায় নিয়ে লেখা কত কবিতায়
দিয়েছিলাম কত সুর।

আজ আমার হাতের মুঠোয় নেই যে তোমার হাত
ভোরের আলো ফুটবে কখন,
ভেবেছি কত রাত।

তুমি তো দিয়েছিলে মোরে কৃষ্ণচূড়া ফুল
আমি তো বসেছিলাম নিয়ে শুধু গানের সুর,
তুমি তো দিয়েছিলে মোরে কৃষ্ণচূড়া ফুল
চলে গেছ কোথায় আমায় ফেলে বহুদূর……..বহুদূর।

যুদ্ধ শেষে আজ ঘরে ফিরে
দেখি নাই তুমি যে পাশে,
ভেবেছিলাম তুমি থাকবে
দাঁড়িয়ে কৃষ্ণচূড়া ফুল হাতে।

তবে কি যুদ্ধে গেলাম
তোমায় হারাতে,
এপিটাফ এর লেখা গুলো
পড়ি ঝাপসা চোখে।

আমি তো দিয়েছিলাম তোমায় কৃষ্ণচূড়া ফুল
তুমি তো গেয়েছিলে সেই নতুন গান এর সুর,
আমি তো দিয়েছিলাম তোমায় কৃষ্ণচূড়া ফুল
তবে কেন গেলাম আমি চলে তোমায় ফেলে বহুদূর।
………….বহুদূর
…………বহুদূর
………..বহুদূর।

One comment

  1. আমার একটি সাথী ছিলো দেশের বাড়িতে এই গানের কোড জানলে আমাকে দয়া বলবে!!!!!!!!! 01763162126

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s