Music

আমার জীবনের সবচেয়ে  ভাল লাগার স্থান  ” মিউজিক” । যাদের গান একবার ভাল লাগে,তাদের গান সব শুনতে মিস করি না। ছোট বেলায়, বড় ভাই পলাশ অনেক সিডি নিয়ে আসতো গানের। তখন থেকেই গানের প্রতি একটা টান কাজ করে। তখন , উচচারণ ( আজম খান) , মাইলস ( শাফিন আহমেদ) , সোল্‌স ( নাসিম আলী খান, পার্থ বড়ুয়া) তাদের গান আমাদের বাসায় সারা দিন – রাত চলতো। ২০০০ সালের পর আমার কিছু মিউজিক ব্যান্ড এর গানের অনেক ভক্ত। তাদের সব গুলো গান না শুনলেই নয়।  আমার পছন্দের বাংলাদেশি মিউজিসিয়ান ঃ

  • উচচারণ ( Uccharon )
  •  মাইলস ( Miles)
  • সোল্‌স ( Souls)
  • ওয়ারফেজ ( Warfaze)
  • নগর বাউল ( Nagar Baul )
  •  এল.আর. বি ( LRB )
  • আর্ক (Ark)
  • অর্থহীন ( Aurthohin )
  • ব্ল্যাক ( Black )
  • আর্টসেল ( Artcell )
  • ইন্ডালো ( Indalo )
  • এভোইডরাফ ( AvoidRafa )
  • নেমেসিস ( Nemesis )
  • শিরোনামহীন ( Shironamhin )
  • ক্রিপটিক ফেইট ( Cryptic Fate )
  • আরবোভাইরাস ( Arbovirus )
  • ‘শূন্য’ ( Shunno )
  • অ্যাশেস ( Ashes )

উচচারণ ( Uccharon )

বাংলা ব্যান্ড মানেই আজম খান। ১৯৭১ সালের পর তার ব্যান্ড উচ্চারণ এবং আখন্দ (লাকী আখন্দ ও হ্যাপী আখন্দ) ভ্রাতৃদ্বয় দেশব্যাপী সঙ্গীতের জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। বন্ধু নিলু আর মনসুরকে গিটারে, সাদেক ড্রামে আর নিজেকে প্রধান ভোকাল করে করলেন অনুষ্ঠান। ১৯৭২ সালে বিটিভিতে সেই অনুষ্ঠানের এতো সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে ও চার কালেমা সাক্ষী দেবে গান দু’টি সরাসরি প্রচার হলো। ব্যাপক প্রশংসা আর তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দিলো এ দু’টো গান। দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়ে গেলো তাদের দল। ১৯৭৪-১৯৭৫ সালের দিকে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে বাংলাদেশ (রেললাইনের ঐ বস্তিতে) শিরোনামের গান গেয়ে হৈ-চৈ ফেলে দেন। তার পাড়ার বন্ধু ছিলেন ফিরোজ সাঁই। পরবর্তীকালে তার মাধ্যমে পরিচিত হন ফকির আলমগীর, ফেরদৌস ওয়াহিদ, পিলু মমতাজের সাথে। এক সাথে বেশ কয়েকটা জনপ্রিয় গান করেন তারা। এরই মধ্যে আরেক বন্ধু ইশতিয়াকের পরামর্শে সৃষ্টি করেন একটি এসিড-রক ঘরানার গান জীবনে কিছু পাবোনা এ হে হে। তিনি দাবী করেন এটি বাংলা গানের ইতিহাসে- প্রথম হার্ডরক।

 মাইলস ( Miles)

এই ব্যান্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালে যা সেই শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে এক্টিভ আছে।
বর্তমান লাইন আপ –
  • শাফিন আহমেদ (ভোকাল এন্ড বেজ)
  • হামিন আহমেদ (ভোকাল এন্ড গীটার)
  • মানাম আহমেদ (কি বোর্ড এন্ড ভোকাল)
  • সাঈদ জিয়াউর রহমান তূর্য (পারকিউশন এন্ড ড্রামস)
  • ইকবাল আসিফ জুয়েল (গীটার এন্ড ভোকাল)

মাইলস এর প্রথম লাইন আপ ছিল-

  • ফরিদ রশিদ (ভোকাল এন্ড বেজ)
  • কামাল মাইনুদ্দিন(ড্রামস)
  • ল্যারি বার্নাবি (লীড গীটার)
  • শেখ ইশতিয়াক (লিড গীটার)
  • মুসা(গীটার)
  • রবিন (কিবোর্ড এন্ড ভোকাল)
  • হ্যাপি আকন্দ (কিবোর্ড এন্ড ভোকাল)
এদের দিয়ে পথচলা শুরু করছিল মাইলস। এছাড়া ও আরো অনেক মেম্বার সাময়িক ভাবে মাইলস এর সাথে নিযুক্ত ছিলেন।
আদার্স মেম্বার –
  • বাবু (লিড গীটার)
  • সুমন জামান (বেজ)
  • শহিদুল হুদা (ড্রামস)
  • খায়েম (বেজ)
  • মিল্টন(ড্রামস)
  • মাহবুব রশিদ (ড্রামস)
মাইলস এখন পর্যন্ত টোটাল ৯ টি  অ্যালবাম রিলিজ করে। তাদের প্রথম দুইটি অ্যালবাম ইংলিশ। এবং তারা তাদের প্রথম বাংলা অ্যালবাম রিলিজ করে ১৯৯১ সালে।
একটা মজার তথ্য হচ্ছে এর পর থেকে এখন পর্যন্ত মাইলস ৭ টি অ্যালবাম রিলিজ করে। যার প্রত্যেকটি এলবাম এর নাম শুরু “প্র” দিয়ে ।
ইংলিশ অ্যালবাম দুইটি হচ্ছে-
1- Miles (1982)
2- A Step Further (1986)
আর বাংলা অ্যালবাম গুলো হচ্ছেঃ
১-প্রতিশ্রুতি (১৯৯১)
২-প্রত্যাশা (১৯৯৩)
৩-প্রত্যয় (১৯৯৬)
৪-প্রয়াশ (১৯৯৭)
৫-প্রবাহ (২০০০)
৬-প্রতিধ্বনি (২০০৬)
৭-প্রতিচ্ছবি (২০১৫)

সোল্‌স ( Souls)

 

১৯৭০ সালে এই ব্যান্ডটি  প্রতিষ্ঠিত হয়। যা এখন পর্যন্ত এক্টিভ আছে।
বর্তমান লাইন আপ ঃ 
  • নাসিম আলি খান (লিড ভোকাল)
  • পার্থ বড়ুয়া (লিড গীটারিস্ট এবং ভোকাল)
  •  আহসানুর রহমান আশিক (ড্রামস এন্ড পারকিউশন)
  • মোহাম্মাদ মারুফ হাসান তালুকদার ( বেজ এবং ব্যাক ভোকাল)
  • মীর মাসুম হোসেইন (কি বোর্ড এবং ব্যাক ভোকাল)
ফরমার মেম্বার্স ঃ 
  • সাজেদ উল আলাম (গীটার)
  • লুলু (গীটার)
  • নেওয়াজ (পারকিউশন)
  • রনি (ড্রামস)
  • তাজুল (ভোকাল)
বলাবাহুল্য এইটাই ছিল ” সোউলস ” এর প্রথম লাইন আপ।
এছাড়াও –
  • নকিব খান -(কি বোর্ড এন্ড ভোকাল)
  • আইয়ুব বাচ্চু (লীড গীটারিস্ট এন্ড ভোকাল)
  • তপন চৌধুরী (ভোকাল)
  • পিলু খান (ড্রামস)
  • রনি বড়ুয়া (ড্রামস)
উনারা ও “সউলস ” এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
১২ টি অ্যালবাম রিলিজ করেছে।
অ্যালবাম গুলো ঃ  
১- সুপার সোউলস (১৯৮০)
২- কলজের করিডোর (১৯৮২)
৩- মানুষ মাটির কাছাকাছি (১৯৮৭)
৪- ইস্ট এন্ড ওয়েস্ট (১৯৮৮)
৫- এ এমন পরিচয় (১৯৯৩)
৬- আজ দিন কাটুক গানে (১৯৯৫)
৭- অসময়ের গান (১৯৯৭)
৮- মুখোরিত জীবন(২০০)
৯- তারার উঠোনে (২০০৩)
১০- টু লেট (২০০৪)
১১- ঝুট ঝামেলা (২০০৬)
১২- জ্যাম (২০১১)

ওয়ারফেজ ( Warfaze)

১৯৮৪ সালে এই ব্যান্ডটি  প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমান লাইন আপ ঃ 

  • ইব্রাহীম আহমেদ কমল (লিড গীটার)
  • শেখ মনিরুল আলম টিপু (ড্রামস এন্ড পারকিউশন)
  • শামস মনসুর গনি (কিবোর্ড)
  • নাঈম হক রজার (বেজ)
  • পলাশ নুর (ভোকাল)
  • সামির হাফিজ (গীটার)

এইছাড়া এই ব্যান্ড টি তে আশা যাওয়া করেছেন বাংলাদেশের অনেক নামি দামী লিজেন্ড। এই ব্যান্ডটির জন্মই হয়েছেই লিজেন্ড জন্ম দেয়ার জন্য।

ফার্স্ট লাইন আপ – 

  • বাপ্পি – (ভোকাল)
  • হেলাল – (ড্রামস)
  • মীর – (লিড গীটার)
  • নাঈমুর – (রিদম গীটার)
  • কমল – (বেজ)

এই লাইন আপ দিয়ে ওয়ারফেজ যাত্রা শুরু করলেও লাইন আপ টি বেশিদিন টিকেনি।

ফার্স্ট অ্যালবাম লাইন আপ ঃ 
১- সঞ্জয় (ভোকাল)
২- কমল (লিড গীটার)
৩- বাবনা (বেজ এন্ড ব্যাক ভোকাল)
৪- রাসেল (কিবোর্ড এন্ড লিড গীটার)
৫- টিপু (ড্রামস)

এই লাইন আপ দিয়ে ওয়ারফেজ তাদের অ্যালবাম যাত্রা শুরু করে। এইটাই ছিল ওয়ারফেজ এর বেস্ট লাইন আপ। এই লাইন আপ নিয়ে ওয়ারফেজ তাদের দুইটি অ্যালবাম রিলিজ করে থাকে।
ফরমার মেম্বার্স
১-বেজবাবা সুমন (বেজ এন্ড ভোকাল)
২-ফুয়াদ ইবনে রাব্বি (কিবোর্ড এন্ড গীটার)
৩-ইকবাল আসিফ জুয়েল (গীটার এন্ড ভোকাল)
৪-বালাম (গীটার এন্ড ভোকাল)
৫-বিজু (বেজ)
৬-সেজান (বেজ)
৭-সাজ্জাদ আরেফিন (গীটার)
৮-অনি হাসান (গীটার)
৯- রোমেল আলি (কিবোর্ড)
১০-মিজান রাহমান মিজান (ভোকাল)

এছাড়া নিযুক্ত ছিলেন কিছু গেস্ট মেম্বার্সঃ 
১- কাজি ফয়সাল আহমেদ (গীটার)
২- চৌধুরী ফজলে সাকিব (ভোকাল)
৩- জামশেদ চৌধুরী (ভোকাল)
৪- রায়েফ আল হাসান রাফা (ভোকাল)
৫- ফারুক হোসেইন (গীটার)
৬- মাহিম সম্রাট (গীটার)

সেই শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ওয়ারফেজ টোটাল ৭ টি অ্যালবাম রিলিজ করে। যার প্রত্যেকটি এলবামই ছিল সুপার হিট। প্রত্যেকটি অ্যালবামই তখনকার সময়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পায়।এছাড়া ও ওয়ারফেজ একটি রিমেক অ্যালবাম ও রিলিজ করে। যার মধ্যে নতুন দুটি ট্র‍্যাক ও ছিল।

অ্যালবাম গুলো হল ঃ 
১- ওয়ারফেজ (১৯৯১)
২- অবাক ভালোবাসা (১৯৯৪)
৩- জীবন ধারা (১৯৯৭)
৪- অসামাজিক (১৯৯৮)
৫- আলো (২০০১)
৬- মহারাজ (২০০৩)
৭- সত্য (২০১২)

রিমেক অ্যালবামঃ 
৮- পথচলা ( যার মধ্যে দুটি নতুন গান ছিল)
** তোমাকে
** অমানুষ

নগর বাউল ( Nagar Baul )

 চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া ব্যান্ড দল ফিলিংস এর মাধ্যমে জেমস  প্রথমে খ্যাতি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি নগর বাউল নামে ব্যান্ড দল গঠন করেন। তিনি নগর বাউল এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৮৭ সালে ফিলিংস ব্যান্ডের সাথে তার প্রথম অ্যালবাম “স্টেশন রোড” মুক্তি পায়। ১৯৮৮ সালে মুক্তি পায় তার প্রথম একক অ্যালবাম অনন্যা। পরবর্তীতে তিনি ফিলিংস ব্যান্ডের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেন “নগর বাউল”।

ডিস্কোগ্রাফিঃ

ফিলিংসঃ 

  • স্টেশন রোড (১৯৮৭)
  • জেল থেকে বলছি (১৯৯৩)
  • নগর বাউল (১৯৯৬)
  • লেইস ফিতা লেইস (১৯৯৮)
  • কালেকশন অফ ফিলিংস (১৯৯৯)

নগর বাউলঃ

  • দুষ্টু ছেলের দল (২০০১)

এককঃ

  • অনন্যা (১৯৮৮)
  • পালাবে কোথায় (১৯৯৫)
  • দুঃখিনী দুঃখ করোনা (১৯৯৭)
  • ঠিক আছে বন্ধু (১৯৯৯)
  • আমি তোমাদেরই লোক (২০০৩)
  • জনতা এক্সপ্রেস (২০০৫)
  • তুফান (২০০৬)
  • কাল যমুনা (২০০৮)

হিন্দি চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাকঃ

  • ভিগি ভিগি (২০০৫, গ্যাংস্টার)
  • চল চলে (২০০৬, ও লামহে)
  • আলবিদা (রিপ্রাইস), রিশতে (২০০৭, লাইফ ইন এ… মেট্রো)
  • বেবাসি (২০১৩, ওয়ার্নিং ৩ডি)

বাংলা চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাকঃ

  • আসবার কালে আসলাম একা
  • মাটির ঠিকানা ( মাটির ঠিকানা )
  • আসছে দেশা আসছে ( দেশা দ্যা লিডার ) ২০১৪
  • বিধাতা ( সুইট হার্ট)২০১৫
  • এতো কষ্ট কষ্ট লাগে( ওয়ার্নিং )২০১৬
  • তোর প্রেমে তে অন্ধ হলাম ( সত্তা ) ২০১৭

এল.আর. বি ( LRB )

১৯৯০ সালের ৫ই এপ্রিল এই কিংবদন্তি ব্যান্ডটি যাত্রা শুরু করে। পুরো নাম লাভ রান্‌স ব্লাইন্ড। শুরুতে ব্যান্ডটির নাম রাখা হয়েছিল লিটল রিভার ব্যান্ড। আরো পরে এই নাম টিও পরিবর্তন হয়ে এখন হয়েছে লাভ রান্‌স ব্লাইন্ড

বর্তমান সদস্য:

  • আইয়ুব বাচ্চু
  • আব্দুল্লাহ আল মাসুদ
  • স্বপন
  • রোমেল

ফরমার মেম্বার্স

  • টুটুল
  • রিয়াদ
  • সুমন
  • মিল্টন আকবর

অ্যালবাম:

  • এল আর বি-১ (১৯৯২)
  • এল আর বি-২ (১৯৯২)
  • সুখ (১৯৯৩)
  • তবুও (১৯৯৪)
  • ঘুমন্ত শহরে (১৯৯৫)
  • স্বপ্ন (১৯৯৬)
  • আমাদের (১৯৯৮)
  • বিস্ময় (১৯৯৮)
  • মন চাইলে মন পাবে (২০০১)
  • অচেনা জীবন (২০০৩)
  • মনে আছে নাকি নাই (২০০৫)
  • স্পর্শ (২০০৮)
  • যুদ্ধ (২০১২)

লাইভ অ্যালবাম:

  • ফেরারী মন (১৯৯৬)

সংকলিত অ্যালবাম:

  • গ্রেটেস্ট হিটস
  • কালেকশন অব এল আর বি

আর্ক (Ark)

এই কিংবদন্তি ব্যান্ডটি ১৯৯১ যাত্রা শুরু করে। আর্ক বাংলাদেশের একটি রক ব্যান্ড যা প্রতিষ্ঠা করেন আশিকুজ্জামান টুলু। ১৯৯৬ সালে ব্যান্ডে যোগ দেন গায়ক হাসান।  ২০০০ সালে হাসান ব্যান্ড ছেড়ে দিয়ে নতুন ব্যান্ড স্বাধীনতা গঠন করেন ।২০০৪ সালে তিনি জন্মভূমি নামের আরেকটি ব্যান্ড গঠন করেন। ২০১০ সালের শেষের দিকে হাসান ঘোষণা দেন যে তিনি আবার আর্কে ফিরে আসছেন।

বর্তমান সদস্য:

  • আশিকুজ্জামান টুলু
  • হাসান
  • ফয়সাল
  • মোরশেদ
  • টিঙ্কু
  • রুমি

ফরমার মেম্বার্স ঃ

  • Pancham
  • Shamim
  • Partho
  • Fredous
  • Mobin
  • Shamsul Farid
  • Jahangir Alam
  • Raja
  • Shishir
  • Joy
  • Rezwan
  • Jewel
  • Balam
  • Bulbul
  • Riju
  • Tonty

অ্যালবাম:

  • মুক্তিযুদ্ধ
  • তাজমহল
  •  জন্মভুমি
  • স্বাধীনতা
  • হারনো মাঝি

অর্থহীন ( Aurthohin )

 

ব্যান্ড এর শুরুটা হয় ব্যান্ড এর কর্নধার বেজবাবা সুমন ভাই এর ৭ বছর বয়সে, তার মা তাকে একটি হাওয়াইয়ান গিটার উপহার দিয়েছিল, কে জানতো এই গীটারের মাতাল করা সুর দিয়েই এক ইতিহাস রচনা হবে? ১৯৯০ তে গভঃ ল্যাব থেকে SSC পাস করে বের হতেই হতেই রকফ্যান্টম এবং ফ্রিকোয়েন্সি নামে দু দুটা ব্যান্ড তৈরি করে ফেলেছেন। মাঝে কিছুদিন ছিলেন জেমস গুরুর ফিলিংস এ। ১৯৯৩ তে ফিলিংস ছেড়ে সিধান্ত নেন একা একা কাজ করার। ১৯৯৪ এর মধ্যে তিনি তার প্রথম সলো প্রোজেক্ট এ্যালবাম ‘সুমন ও অর্থহীন’ এর কাজ শেষ করেন। দীর্ঘ ৩ বছর পর ১৯৯৭ তে বাংলাদেশের প্রথম এই প্রজেক্ট এ্যালবাম রিলিজ পায়। তারপর এই ‘সুমন ও অর্থহীন’ নাম দিয়েই বেশ কিছুদিন বিভিন্ন কনসার্টে পারফর্ম করেন। ১৯৯৯ তে পিকলু ভাই ব্যান্ডে যোগ দেন আর তখনই ব্যান্ড এর নামকরণ ‘সুমন ও অর্থহীন’ থেকে শুধু ‘অর্থহীন‘ করা হয়।

ইতিহাসের শুরুটা হয় তখনই। এর পর ১৯৯৯-২০১৬, ১৭ বছরের ইতিহাস কারও অজানা নয়। ১ম এ্যালবাম রিলিজ পেলো ‘ত্রিমাত্রিক’, ২০০০ সালে। ‘অর্থহীন’ এর ব্যানারে বের হওয়া ১ম এ্যালবামের ১ম গান “অদ্ভুত সেই ছেলেটি”, বেজবাবার লালালা লালা লালা লালা দিয়ে শুরু, হয়ে গেলো তাড়ছেড়া ছেলেদের জাতীয় সংগীত, বেজে উঠলো সর্বত্র। আর পিছে ফিরতে হয় নি, অর্থহীন এখনও অজানা পথে চলছে। কোন কিছুই রুখে দিতে পারে নি তাদের।

গত ১৭ বছরে ‘অর্থহীন’ এর এ্যালবাম রিলিজ পেয়েছি সর্বমোট ৭টি, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত লাইন আপ চ্যাঞ্জ হয়েছে ৯ বার। তবে শুরু থেকে ব্যান্ডটিকে আকড়ে ধরে আছে একজন, বেজবাবা – দা লেজেন্ড হিম সেলফ।

অর্থহীনই একমাত্র বাংলাদেশি ব্যান্ড যারা সিরিজ সঙ্গীতকে পরিচিত করে তোলে, এবং এখন পর্যন্ত সে ধারা অব্যাহত রেখেছেন। অদ্ভুত সেই ছেলেটি, গুটি, নিকৃষ্ট, সুর্য, অত্তহনন, আনমনে ইত্যাদি অর্থহীনের বিখ্যাত সিরিজ সংগীত। এছাড়াও বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দৈর্ঘ্যের গান রচনা করার রেকর্ড টিও অর্থহীনের। ‘সাত দিন’ নামে গানটির দৈর্ঘ ২৮ঃ৩২ মিনিট। ফাঁসীর সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যর আগের ৭দিনের বর্ননা নিয়ে এই গান।

অর্থহীনের স্টুডিও এ্যালবাম সমুহঃ

  • ত্রিমাত্রিক (২০০০)
  • বিবর্তন (২০০১)
  • নতুন দিনের মিছিলে (২০০২)
  • ধ্রুবক (২০০৩)
  • অসমাপ্ত – ১ (২০০৮)
  • অসমাপ্ত – ২ (২০১১)
  • ক্যানসারের নিশিকাব্য (২০১৬)

অর্থহীনের সিঙ্গেলস সমুহঃ 
আত্মহনন ১, সূর্য ১, অতীত, A.O.D, বয়স, যুদ্ধ, এপিটাফ, ইতিহাস, প্রতিরূপ, আত্মহনন ২, নির্বোধ, আমজনতা এবং কভার সমূহ(লোকে বলে, মাটির পিঞ্জিরা, একদিন তোর হইব রে মর

বর্তমান মেম্বারঃ

  • বেজবাবা সুমন – ভোকাল, বেস গিটার, লিরিসিস্ট (শুরু – বর্তমান)
  • শিশির – লিড গিটার, কি-বোর্ড(২০০৩ – বর্তমান)
  • মার্ক ডন – ড্রামস, গিটার, ব্যাক ভোকাল (২০১৫ – বর্তমান)

ফরমার মেম্বার্স ঃ

টিটি, সেন্টু, যুবায়ের, আদনান, তন্ময়, কমল, রাফা

 

ব্ল্যাক ( Black )

ব্ল্যাক বাংলাদেশের অন্যতম রক ব্যান্ড। ১৯৯৯ সালে ব্যান্ডটি আত্মপ্রকাশ করে। মূলতঃ তারা অল্টারনেটিভ রক ধাচের গান করে।

২০০১ সাল ! ”এল আর বি , আর্ক , নগর বাউল ” ”THE BIG THREE OF ROCK ” সারাদেশ কাপাচ্ছে ।  রক গান মানেই তাদের গান । কিন্তু হঠাৎ করে , নাম না জানা এক ব্যান্ডের অচেনা এক গায়কের একটা গান শুনে, বাংলাদেশে যতো রক গান পাগল মানুষ আছে , তারা সবাই একসাথে বলে উঠলো ”পারফেক্ট ”  !!!! ( ছাড়পত্রে অ্যালবামে তাদের প্রথম গান প্রকাশ হয় )

সেই গায়কের কণ্ঠ মানুষ মুগ্ধ হয়ে শুনল , এতো সুন্দর !! এতো আলাদা !!এতো অন্যরকম !! সেই গানটির নাম ‘‘চেনা দুঃখ” ! সেই অচেনা ব্যান্ডের নাম “ব্ল্যাক” ! অচেনা , আলাদা , অন্যরকম বেশি সুন্দর কণ্ঠের অধিকারী গায়কটির নাম “জন কবির”🙂

গানের নাম :চেনা দুঃখ

“তবুও অপেক্ষায় থেকো রাত জেগে

আমি ফিরতেও পারি কথার টানে

তোমার অজস্র শব্দের মুঠোয়

জীবন আমারনিয়ত ক্ষয়ের পাশে,

কেন যে বাচতে চাই?

তবুও তোমার গান বুঝিনি আমি

বুঝেছি শুধু তোমার কাছে যাবার পথ নেই” 🙂

শুরু তাদের পথচলা !!!!!!! 🙂

১৯৯৮ সাল ! জন ভাই , টনি ভাই আর জাহান ভাই ছোট বেলার বন্ধু ! তিনজনই খুব গান পাগল ! দিনের বেশিরভাগ সময় একে অন্যের বাসায় গান শুনে কাটায় !Pearl Jam, Stone Temple Pilots , Soundgarden তাদের প্রিয় ব্যান্ড ! একদিন তিন বন্ধু মিলে ভাবল , একটা ব্যান্ড বানালে কেমন হয় ! তিনজন মিলে খুলে ফেললো একটা ব্যান্ড ! নাম দিলো ,” Dope Smuglazz ” তারপরে তাদের আরেকজন বন্ধু এবং পরবর্তীতে ব্যান্ড মেম্বার আসিফ ইকবাল ভাই তাদের কে বলেন , নাম ”ব্ল্যাক ” রাখতে ! আমাদের দেশের প্রায় সব ব্যান্ড এর মতো ব্ল্যাক এর শুরুও খুব বেশি কষ্টের ছিল ! ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে গান গাওয়াতে আম্মা আব্বার ঝাড়ুর বারি খেতে হইছে ! জন কবির নিজে বলছেন , ” পরিবারের যন্ত্রণার কারনে , বাংলাদেশে ব্যান্ড মিউজিক করা হল একধরনের পাপ করার মতো ”

স্রোতের বিপরীতে গান গাওয়া !! জন ভাইয়ার মতো করে গান গাওয়া প্রায় অসম্ভব ! আজো কাউকে পুরাপুরি জন ভাইয়ার ভয়েস নকল করে গান গেতেও দেখি নাই ! তাদের প্রথম debut অ্যালবাম ছিল , ”আমার পৃথিবী ” গান করার বেপারে , রকগুরু আজম খান তাদের অনেক ইন্সপায়ার করেছেন 🙂  অভিমান , পার্থনাদ , এখনো , মানুষ , মিথ্যা অন্ধকারের পাশে , গান তখন সবার মুখে মুখে !  ভার্সিটির আড্ডাতে , ক্যান্টিনে , পার্কার পাশে সব জায়গায় তখন সবার মুখে মুখে খালি ব্ল্যাক এর গান !

তাদের দ্বিতীয় এ্যালবাম ছিল , ”উৎসবের পরে ” ! অ্যালবামটিকে বাংলাদেশের রক জগতের অতি মূল্যবান সম্পদ হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে ! ! ”ইচ্ছা ” , ”পরাহত ” ”’মিছিমিছি ” ”প্রাকিতিক ‘:) ”তুমি কি সারা দিবে ” ! একটা অ্যাড ছিল , গ্রামীণ ফোন dejuice এর  এই গানটা অনেকটা রুপকথার হেমিলিয়নের বাঁশির মতো ! আপনি সারা দিতে ইচ্ছা না থাকলেও আপনি সারা দিতে বাধ্য !!!

বোহেমিয়ান বাতাসে চলো হেটে যাই

একই সাথে একই সুরে আমরা সবাই

লক্ষ্য হারিওনা স্বপ্ন ছেড়ো না

ডাকছে জীবন তুমি বসে থেকো নাতুমি কি সাড়া দেবে?

২০০৫ সাল , ২০ এপ্রিল  চিটাগং থেকে একটি শো করে আসার সময় তাদের গাড়ির এক্সিডেন্ট হয় ! ব্যান্ডের সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ইমরান আহাম্মেদ চৌধুরীর তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হয় ! জন ভাইয়া , জাহান ভাইয়া ,তাহসান ভাইয়া আহত হন ! টনি ভাই আর মিরাজ ভাইয়া খুব বেশি injuried হওয়াতে তাদেরকে hospitalized করার লাগে ! এই এক্সিডেন্ট এর পরে , black ব্যান্ডের অনেক সমস্যা শুরু হয় ! মিরাজ ভাইয়ার পাঁটেলা( আমাদের হাঁটুর জয়েন এর হাড্ডির নাম ) পুরাপুরি ডামেইজড হয় ! মিরাজ ভাইকে ব্যান্ড ছাড়তে হয় ! অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য black আর গান করবে না জানানো হয় ! এতোসব সমস্যার মধ্যে ২০০৬ সালে তাহসান  ব্যান্ড ছেড়ে চলে যান !

কিন্তু এইখানেই গল্প শেষ না ! আবার আছে ! 🙂

৬ বছর পরে ”black ” ফিরে আসে , তাদের এ্যালবাম ”আবার ” নিয়ে ! এই এ্যালবামটা রিলিজ পাওয়ার পরে ৩ ঘণ্টায় ৫০০০ কপি বিক্রি হয় !  এই এ্যালবাম নিয়ে একটা কাহিনি শেয়ার করলেই বুঝবেন এইটা কতো ব্যাপক একটা এ্যালবাম ,একদা একজন ”black ” ব্যান্ডের ফ্যানকে জিজ্ঞেস করা হয় , ” আবার এ্যালবামের কোন গানটা সবচেয়ে ভালো ??? ”

উত্তরঃ সরি ! আমি জানি না ! আবার , আবার , এতবার শুনলাম তাও জানতে পারলাম না , আপনি জানলে আমাকে জানায়েনএই এ্যালবামের সব গান এত্ত ভালো ! পুরাই মাথনষ্ট এ্যালবাম একটা ! , কেন , করুন , আবার , মানুষ পাখির গান , অবশ , এই গান ,সবগুলা গান ভালো !যারা black এর ফ্যান তারা আমার কথা বুঝবেন , আর যারা ব্যান্ড মিউজিকে নতুন, এখনো শুনেন নাই ”black ” এর গান তাদেরকে বলবো , ”চেনা দুঃখ ” , ”তুমি কি সারাদিবে ” ”পরাহত ” এই গানগুলি দিয়ে black এর গান শুনা শুরু করতে পারেন !  এই কয়টা শুনেন , বাকিগুলা নিজে খুজে শুনবেন !!! :

তারপর ২০১১ সালে “Black ” নামে তাদের ৪র্থ অ্যালবাম নিয়ে আসে। এই অ্যালবাম এর পর কয়েকটা শো হয়। তারপর জন কবির ব্যান্ড ছেড়ে চলে যান। তারপর অনেক ভোকাল আসে যায়। অবশেষে ২০১৬ সালে তাদের ৫ম  অ্যালবাম নিয়ে আসে। তেমন সারা পাওয়া যায়নি অ্যালবামে ।

বর্তমান সদস্যঃ

  • রুবায়েত চৌধুরী
  • টনি ভিন্সেন্ট(ড্রামস)
  • মুশফিক জাহান (গিটার)
  • চার্লস ফ্রান্সিস (বেজ)

পূর্ববর্তী সদস্যঃ

  • মোহাম্মদ জাহাঙ্গির কবির / জন কবির (ভোকাল, গিটার)
  • তাহসান খান (ভোকাল, কি-বোর্ড)
  • রফিকুল আহসান টিটু (বেজ)
  • আসিফুর রহমান চৌধুরী (ভোকাল)
  • মিরাজ (বেজ)
  • খান শাহরিয়ার সাগর (বেজ)

অ্যালবামসমূহঃ

  • আমার পৃথিবী(২০০১)
  • উৎসবের পর (২০০৩)
  • আবার(২০০৮)
  • ব্ল্যাক (২০১১)
  • উনমানুষ (২০১৬)

মিক্সড অ্যালবামঃ

  • ছাড়পত্রঃ  চেনা দুঃখ ( ২০০০)
  • অনুশীলনঃ স্মৃতি , অবিনশ্বর ( ২০০১ )
  • প্রজন্মঃ ব্লুজ & রোধ ( ২০০২)
  • দিনবদলঃ আশীর্বাদ (২০০৩)
  • আগন্তুকঃ অপলাপ (২০০৩)
  • লোকায়তঃ  স্বত্ব ( ২০০৪)
  • স্বপ্নচূড়া-১ঃ ডাক ( ২০০৪)
  • আগন্তুক-২ঃ শোকেরতো উপকূল ( ২০০৪)
  • OFFBEAT : সে যে বসে আছে ( ২০০৪) / কভার
  • আগন্তুক-৩ঃ The Evening ( ২০০৫)
  • UNDERGROUND:  35 ( ২০০৬)
  • স্বপ্নচূড়া-২ঃ অন্ধ ( ২০০৬)
  • লাইভ নাউঃ এই আমি ( ২০০৭)
  • স্বপ্নচূড়া-৩ঃ  এ কারণেই ( ২০০৭)
  • রক১০১ঃ  শব্দ ( ২০০৮)
  • রক ২০২ঃ তুমি কি সারা দিবে? ( ২০০৯)
  • রক৫০৫ঃ বার্থ স্বপ্ন ( ২০১০)
  • চল বাংলাদেশঃ 2011 ( ২০১১ )
  •  রক ৬০৬ঃ ফেরা ( ২০১১)
  • হাতিয়ারঃ ছেলেটি ( ২০১২)
  • স্বপ্নচূড়া-৪ঃ কার জন্যে ( ২০১৪)

 

আর্টসেল ( Artcell )

আর্টসেল (Artcell) বাংলাদেশের একটি হেভি মেটাল ব্যান্ড। আর্টসেল ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসে গঠিত হলেও একই বছরে নভেম্বর মাসে তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মপ্রকাশ করে। সেপালচুরা, ড্রিম থিয়েটার, মেটালিকা, পিংক ফ্লয়েড ও প্যান্টেরাব্যান্ড তাদের মূল অণুপ্রেরণা। তারা প্রাথমিক অবস্থায় আন্ডারগ্রাউন্ড কনসার্টে একদম মেটালিকাকে পুরোপুরি কাভার করত। তারা অ্যালবাম প্রকাশের আগেই দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বর্তমান সদস্যঃ

  • এরশাদ
  • সাজু
  • লিংকন
  • সেজান
  • রুম্মান

অ্যালবাম সমূহঃ

  • অন্য সময় (২০০২)
  • অনিকেত প্রান্তর (২০০৬)
  • অতৃতীয় (২০১৬)

মিশ্র অ্যালবামঃ

  • ছাড়পত্র
গান – অদেখা স্বর্গ
  • অনুশীলন
গান – দুঃখ বিলাস
গান – অপ্সরী
  • আগন্তুক ১
গান – অস্তিত্বের দিকে পদধ্বনির সম্মোহন
  • আগন্তুক ২
গান – চিলেকোঠার সেপাই
  • দিন বদল
গান – আশীর্বাদ
  • লোকায়ত
গান – ছেঁড়া আকাশ
  • আগন্তুক ৩
গান – বাংলাদেশ… স্মৃতি এবং আমরা
  • গর্জে ওঠো বাংলাদেশ
গান – হুঙ্কারের অপেক্ষায়
  • Rock 303 (রক ৩০৩)
গান – কান্ডারি হুঁশিয়ার (নজরুল সঙ্গীত)
    • Riotous 14 (রায়োটাস ১৪)

গান – কারার ঐ লৌহ কপাট (নজরুল সঙ্গীত)

  • Live Now (লাইভ নাও)

গান – এই বিদায়

ইন্ডালো ( Indalo )

ব্যান্ডঃ ইন্দালো অরিজিনঃ ঢাকা,বাংলাদেশ
জন্রাঃ রক
সময়কালঃ ২০১২- বর্তমান
লাইনআপঃ
ভোকাল/গিটারঃ জন কবির
গিটার/ভোকালঃ জুবায়ের হাসান
বেজঃ বার্ট নন্দিত আরেং
ড্রামসঃ ডিও হক
এক্স মেম্বারঃ বেজ-টিটু (এক্স ব্ল্যাক)
ইতিহাসঃ ২০১২ সালের একবারে প্রথম দিকে জনপ্রিয় ব্যান্ড ব্ল্যাক ছেড়ে চলে আসেন জন কবির। তার নিজের ক্যারিয়ার কে অন্যভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। তবুও গানের মানুষ যারা তারা কি আর গান থেকে দূরে থাকতে পারে?? সেই সময়ে “আসর্‌” ব্যান্ড এর গিটারিস্ট জুবায়ের সাথে তার পরিচয় হয় এবং তারা এক সাথে জ্যাম করতে থাকেন। তাদের সাথে যোগ দেন ব্ল্যাক এর এক্স বেজিস্ট টিটু এবং ড্র্যামস্‌ তারা ওয়েলকাম করেন বাংলা রক সিনারিও এর অন্যতম প্রতিভাবান ড্র্যামার ডিও হক কে। এই চারজন প্রতি সপ্তাহশেষে এক সাথে জ্যাম করতেন। প্রাথমিক ভাবে তাদের কখনো ইচ্ছে ছিলোনা একটা ফুল টাইম ব্যান্ড করার। কিন্তু পরবর্তিতে তারা সিদ্ধান্ত নেন ব্যান্ড করার এবং নাম দেন“ইন্দালো”।
২০১৩ তে ইউটিউবে আই এস ডি গানের মিউজিক ভিডিও রিলিজ দেয়ার সাথে সাথেই আলোচনার শীর্ষে আসে ইন্দালো। এরপর বিভিন্ন আন্ডারগ্রাউন্ড শো তে পারফর্ম করা শুরু করেন তারা। ইন্দালো এর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যাপার টা ছিলো লাইভস্কয়ারের সাথে কনসার্ট সম্পর্ন করা। এটাই ছিলো ইন্দালোর মেইডেন বিগ কনসার্ট। ২০১৩ এর শেষ দিকে টিটু ইন্দালো ছেড়ে দিলে বেজিস্ট হিসেবে জয়েন করেন “বার্ট নন্দিত”। এই লাইন আপ নিয়েই এখন পর্যন্ত সক্রিয় আছেন ইন্দালো। এরপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে নিয়মিত কনসার্ট এর পাশাপাশি রেডিও স্বাধীনে একটা ফুল আনপ্ল্যাগড কনসার্ট করে।
ডিস্কোগ্রাফীঃ ২০১৫ এর ৫ সেপ্টেম্বর ইন্দালো তাদের ডেব্যুট এলব্যাম “ কখন কিভাবে এখানে কে জানে” রিলিজ করে। এই এলব্যাম টির প্রমো ভিডিও অনেক প্রশংসিত হয়। এই এলব্যাম এ গান ছিলো ১৩ টি।
ট্র্যাক লিস্টঃ ১.আন্তনগর ২.ক্যানভাস ৩.দেয়াল ঘড়ি ৪.আই এস ডি ৫.অবশেষে ৬.অলীক ৭.অস্ফুট ৮.পাথরের আড়ালের ফুল ৯.প্ল্যাস্টিক ১০.পৌনঃপুনিক ১১.সেক ১২.তোমার সকাল ১৩.কে শুনবে
এলব্যাম টি অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে।। এই এলব্যাম টি নিয়ে ইন্দালো লাইভে ব্যাস্ত হয়ে যায় এবং পুরো ২০১৫ জুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে এক্যুস্টিক সেশন এ পারফর্ম করে। এখন তারা বিভিন্ন কনসার্ট এর পাশাপাশি স্টুডিও তেও কাজ করছেন তবে এখনো কোন রিলিজ এর ঘোষনা আসেনি তাদের পক্ষ থেকে। ইন্দালো খুব অল্প সময়ের এদেশের ব্যান্ড মিউজিক শ্রোতাদের কাছে যায়গা করে নিয়েছে। ইউনিক সাউন্ড,কম্বিনেশন,টীম ওয়ার্ক, কেমিস্ট্রি তাদের কে এই যায়গায় এনে দার করিয়েছে। প্রথম এলব্যাম দিয়ে এত সাড়া ফেলে দেয়া ব্যান্ড এর কাছ থেকে তো রক মিউজিক ফ্যান দের প্রত্যাশা যে আকাশচুম্বী সেইটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
অ্যালবামঃ
  • কখন কিভাবে এখানে কে জানে ( ২০১৫)
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s